Advertisement
E-Paper

স্নাতকে সার্বিক ভর্তি বেড়েছে এ বছর, ছাত্রী-সংখ্যা বৃদ্ধি প্রায় ২৭ শতাংশ, শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট শুভেন্দুর

উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের মত, পরিবর্তনের পর সরকারের উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ এবং নীতিগত অবস্থান বদলের কারণেই ছাত্রছাত্রীরা সরকারি এবং সরকারি সাহায্যে চলা কলেজগুলিতে বেশি করে ভর্তি হতে শুরু করেছেন। পৃথক মহিলা কলেজের প্রতিশ্রুতি ছাত্রীদের আরও উৎসাহ দেবে বলে মত শিক্ষামহলের।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬ ২৩:২৭

— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

গত বারের তুলনায় চলতি শিক্ষাবর্ষে স্নাতকে পড়ুয়ার সংখ্যা বেড়েছে। এর মধ্যে ছাত্রীদের ভর্তি উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ দিন এক্স হ্যান্ডেলে নিজেই পোস্ট করে এ কথা জানিয়েছেন তিনি। সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘এটা খুবই উৎসাহের’। রাজ্যে পালাবদলের পরে সরকারের উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ এবং নীতিগত অবস্থান বদলের কারণেই ছাত্রছাত্রীরা সরকারি এবং সরকার-পোষিত কলেজগুলিতে বেশি করে ভর্তি হতে শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন উচ্চশি‌ক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।

বিকাশ ভবন সূত্রের খবর, স্নাতক স্তরে ছাত্রদের থেকে ছাত্রীদের ভর্তি অনেকটাই বেড়েছে। এ দিন মুখ্যমন্ত্রীও জানিয়েছেন যে, গত শিক্ষাবর্ষের থেকে চলতি শিক্ষাবর্ষে মেয়েদের ভর্তির হার বেড়েছে ২৬.৪৫ শতাংশ। সার্বিক ভর্তির নিরিখে গত বছরে ভর্তির হয়েছিলেন ২ লক্ষ ৫৭ হাজার ৪২৯। এই বছরে সেই সংখ্যা ৩ লক্ষ ৮ হাজার ৭৯৩। প্রথম পর্যায়ে যাঁরা ভর্তি হয়েছেন তাঁদের সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। আসন শূন্য পড়ে থাকা নিয়ে এ আগে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বিগত আমলে অপরিকল্পিত ভাবে আসন বৃদ্ধি করা হয়েছিল বলেও মত দিয়েছিলেন তিনি।

উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ২০২৬-’২৭ শিক্ষাবর্ষে সরকার-পোষিত কলেজগুলিতে প্রথম পর্যায়ের ভর্তি সম্পূর্ণ হয়েছে। ৭ জুলাই থেকে ক্লাস শুরু হবে। সে দিন থেকেই আবার দ্বিতীয় পর্যায়ে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন ছাত্রছাত্রীরা। তিনি বলেন, ‘‘আশার কথা হল, এ বার গত শিক্ষাবর্ষের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ছাত্রছাত্রী সরকার-পোষিত কলেজে ভর্তি হয়েছেন। ছাত্রীদের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ২৭ শতাংশ। দ্বিতীয় পর্যায়ের ভর্তি শেষ হলে এই সংখ্যা আরও বাড়বে আশা করা যায়।’’

দফতর সূত্রের খবর, বেশ কিছু জেলায় সেই সংখ্যার পার্থক্যটাও অনেকটাই বেশি। স্নাতকে ভর্তির যে পোর্টাল গত ১৯ মে চালু করা হয়েছিল, সেখানেই ভর্তির নিরিখে অধিকাংশ জেলাতেই এগিয়ে ছিলেন ছাত্রীরা। খাস কলকাতাতেই ছাত্র-ভর্তির হার ৪৪ শতাংশ, ছাত্রীদের ৫৬ শতাংশ। কোনও কোনও জেলায় এই সংখ্যার পার্থক্য আরও বেশি। যেমন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় অধীনস্থ কলেজগুলিতে যথাক্রমে ৪১ এবং ৫৯ শতাংশ। মেদিনীপুরের বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় অধীনস্থ কলেজে ছাত্র ভর্তির হার ৩৩ শতাংশ, ছাত্রীরা ৬৭ শতাংশ।

সম্প্রতি রাজ্য বাজেটে কাঁথি, কালিয়াচক, সাগর এবং তুফানগঞ্জে মহিলা কলেজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে রাজ্য সরকার। পশ্চিমবঙ্গে নারী শিক্ষার হার এখন ৭০ শতাংশের ঊর্ধ্বে। কিন্তু তা যথেষ্ট নয় বলেই মনে করাচ্ছে শিক্ষামহলেরই একাংশ।

যে সব প্রত্যন্ত এলাকায় কলেজগুলি তৈরির কথা প্রস্তাব করা হয়েছে, সেখানে মেয়েদের শিক্ষায় সহায়ক হতে পারে মহিলা কলেজগুলি বলেই মনে করছেন এ রাজ্যের বহু শিক্ষক।

College Seats

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy