মাধ্যমিকের পর বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করলে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হওয়ার স্বপ্ন থাকে অনেকেরই। তবে এ জন্য প্রয়োজন হয় বিশেষ যোগ্যতার। উত্তীর্ণ হতে হয় প্রবেশিকায়।
চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হওয়ার জন্য, প্রার্থীকে ইনস্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ ইন্ডিয়া দ্বারা পরিচালিত কোর্স করতে হয়। সিএ কোর্সে তিনটি প্রধান স্তর রয়েছে- ফাউন্ডেশন, ইন্টারমিডিয়েট এবং ফাইনাল।
যোগ্যতা
স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে কমার্স বিভাগে পাশ করতে হবে। তবে বিজ্ঞান বিভাগের পড়ুয়ারাও সিএ পড়তে পারেন। বাণিজ্য বিভাগে ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ নম্বর নিয়ে স্নাতকোত্তীর্ণ হতে হবে। অন্যান্য বিভাগ থেকে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর নিয়ে স্নাতক পাশ করলেও সিএ কোর্স করা যায়।
পর্যায়
সিএ নিয়ে পড়তে প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল সিএ ফাউন্ডেশন। এ জন্য ইনস্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ ইন্ডিয়া-তে প্রার্থীকে নিজের নাম রেজিস্টার করতে হবে। তার পর পরীক্ষা হয়। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারলে ইন্টারমিডিয়েটে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়।
সিএ ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার দু’টি বিভাগ রয়েছে। মোট ছ’টি পত্রে পরীক্ষা হয় দু’টি বিভাগে। পরবর্তী স্তরে অগ্রসর হওয়ার জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই উভয় গ্রুপে সফল ভাবে উত্তীর্ণ হতে হবে।
আর্টিকেলশিপ-এর জন্য নাম রেজিস্টার করতে হবে। সিএ পাঠ্যক্রমের মূল বিষয় হল আর্টিকেলশিপ। দু’বছরের জন্য আর্টিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসাবে একজন পেশাদার সিএ-এর সঙ্গে কাজ করতে হবে। আর্টিকেলশিপ চলাকালীন প্রার্থীকে চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্সির চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য নিজের নাম রেজিস্টার করতে হবে। নাম রেজিস্টার করার পর চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্সির চূড়ান্ত পরীক্ষা পাশ করতে হয় প্রার্থীকে।
চূড়ান্ত পরীক্ষা পাশের পর প্রার্থী ইনস্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ ইন্ডিয়া-এর সদস্য পদ পান। তারপরই সিএ হিসাবে নিজের কর্মজীবন শুরু করতে পারেন।
চাকরির সুযোগ
ট্যাক্স ব্যবস্থাপনা, ট্যাক্সেশন, আর্থিক পরিকল্পনা, ফরেনসিক অডিটিং, অ্যাকাউন্টিং এবং এক্সটার্নাল রিপোর্টিং, অডিটিং, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ব্যাঙ্ক এবং বিমা সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করার সুযোগ থাকে।