একাদশ ও দ্বাদশ স্তরে শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রকাশিত শূন্যপদের তালিকায় ভ্রান্তি দূর করতে উদ্যোগী হল স্কুলশিক্ষা দফতর। সূত্রের খবর, অভিযোগ পাওয়ার পরেই মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে তালিকা সংশোধনের জন্য জেলা স্কুল পরিদর্শকদের কাছে চিঠি গিয়েছিল। তার ভিত্তিতেই কাজ শুরু হয়েছে বলে খবর।
স্কুল সার্ভিস কমিশন সূত্রের খবর, গত ২৩ মার্চ থেকে একাদশ-দ্বাদশ স্তরে ১০টি বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের জন্য কাউন্সেলিং শুরু হয়। কিন্তু প্রথম থেকেই ওই শূন্যপদ নিয়ে একের পর এক অভিযোগ উঠতে থাকে। অল পোস্ট গ্র্যাজুয়েট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সম্পাদক চন্দন গড়াই জানিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বহু অযোগ্য প্রার্থীর চাকরি গিয়েছে। ফলে বিভিন্ন স্কুলে সেই সব স্থান শূন্য থেকে গিয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে সেই সব শূন্যপদের কোনও উল্লেখ নেই। এমনকি প্রকাশিত তালিকার উপরে ভরসা না করে প্রার্থীরাই নিজে থেকে কোন স্কুলে কোন বিষয়ের শূন্যপদ রয়েছে সেগুলি খতিয়ে দেখা শুরু করেন।
পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার আগেই জেলা স্কুল পরিদর্শকদের ফের তথ্য যাচাইয়ের পরামর্শ দিয়েছে পর্ষদ। সেই খবর ইতিমধ্যে আনন্দবাজার ডট কমে প্রকাশিতও হয়। এ বারে সেই কাজই শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি জেলা থেকে দফতরে নানা তথ্য এসেছে। মূলত কোনও স্কুলে একটি শূন্যপদ থাকলে দু’টি দেখানো হয়েছে বা কোথাও যে বিষয়ের শূন্যপদই নেই সেখানেও ভুলবশত শূন্যপদ হয়ে গিয়েছে।
এই ধরনের ভ্রান্তি সংশোধন করে নেওয়া হচ্ছে। এর পর, সংশোধিত তালিকা স্কুল সার্ভিস কমিশনে দেওয়া হবে। তার ভিত্তিতেই কাউন্সেলিং হবে। ফলে জেলা স্কুল পরিদর্শদের তরফে কোনও ত্রুটি তালিকায় থেকে গেলে গোটা প্রক্রিয়া নিয়েই প্রশ্ন উঠতে পারে, জানিয়েছেন কমিশনের এক আধিকারিক।