Advertisement
E-Paper

যাদবপুরে শিক্ষক নির্বাচন অবৈধ! হাই কোর্টে মামলা দায়ের করল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সংগঠন

প্রশাসন যদিও সংশোধিত আইনের অধীনে নির্বাচন পরিচালনার জন্য ১৯৮২ সালের বিধি বা স্ট্যাটিউটস উল্লেখ করেছে, বিজ্ঞপ্তিতে সেই বিধির ধারাবাহিকতা ও প্রক্রিয়া আদৌ অনুসরণ করা হয়নি। ছাত্র, গবেষক, আধিকারিক ও শিক্ষা কর্মীদের নির্বাচন সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:১২
Jadavpur University

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসমিতি এবং কোর্টে শুধুমাত্র শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন অগণতান্ত্রিক ও অবৈধ বলে দাবি করেছিল অল বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি টিচার্স’ অ্যাসোসিয়েশন-এর (আবুটা) যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় লোকাল চ্যাপ্টার। এ বার সেই নির্বাচন বাতিলের দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করল তারা। আগামী ২৭ মার্চ নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়েছিল।

বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আবুটা-র তরফ থেকে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গৌতম মাইতি জানান, ১৯৮১ সালের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১১ ও ২০১২ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) আইন দ্বারা মৌলিক ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। এর ফলে ১৯৮২ সালের স্ট্যাটিউটস নতুন আইনের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও অকার্যকরী হয়ে পড়েছে। সংশোধিত আইনের ধারা ১৬(১), ১৯(১) ও ২১(২) অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনার জন্য নতুন স্ট্যাটিউটস অনুমোদন অপরিহার্য, যা এখনও সম্পন্ন হয়নি। তাই পুরনো বিধির অধীনে কোনও নির্বাচন আইনগত ভাবে অবৈধ। গত ২০ জানুয়ারি এগ্‌জ়িকিউটিভ কাউন্সিল (ইসি) বা কর্মসমিতি নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয় এবং উপাচার্যের নির্দেশে রেজিস্ট্রার নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। আবুটা-র মতে, ইসি-র এই সিদ্ধান্ত ও বিজ্ঞপ্তি উভয়ই এক্তিয়ার বহির্ভূত। তাদের দাবি, নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আইনি ক্ষমতা ইসি-র নেই।

সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, রিট পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রশাসন যদিও সংশোধিত আইনের অধীনে নির্বাচন পরিচালনার জন্য ১৯৮২ সালের স্ট্যাটিউটস বা বিধির উল্লেখ করেছে, বিজ্ঞপ্তিতে সেই বিধির ধারাবাহিকতা ও প্রক্রিয়া আদৌ অনুসরণ করা হয়নি। নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তিতে শুধুমাত্র শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন সীমাবদ্ধ রেখে ছাত্র, গবেষক, আধিকারিক ও শিক্ষা কর্মীদের নির্বাচন সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ করা হয়েছে। তা ছাড়া, আইন সংশোধনের মাধ্যমে সংযোজিত নতুন ফ্যাকাল্টি’র জন্য (ফ্যাকাল্টি কাউন্সিল অফ ইন্টারডিসিপ্লিনারি স্টাডিজ, ল’ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট) ১৯৮২ সালের স্ট্যাটিউট-এ কোনও নির্বাচনী বিধান না থাকায় এই ফ্যাকাল্টির নির্বাচনও আইনগত ভিত্তিহীন অবস্থায় রয়েছে। উপরন্তু, কোর্ট → ফ্যাকাল্টি কাউন্সিল → এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল— এই নির্ধারিত নির্বাচনী ধাপও মানা হয়নি। ফলে বিজ্ঞপ্তিটি আইনি ও প্রক্রিয়াগত ভাবে গুরুতর ত্রুটিপূর্ণ।

Jadavpur University JU EC Election
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy