Advertisement
E-Paper

পাঠ্যক্রমে এ বার যুক্ত হবে নাচ-গান, যোগ হবে নম্বরও! পঠনপাঠনে বদল আনছে শিক্ষা দফতর

স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, এই বছর থেকেই প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে সঙ্গীত, নৃত্য, নাটক, আবৃত্তি বা রকমারি কাগজ দিয়ে নানা আকৃতি তৈরি করার প্রশিক্ষণ (অরিগ্যামি)।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:৫২
ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত নাচ-গান বা আঁকা শেখার ক্ষেত্রটি সীমাবদ্ধ ছিল প্রথাগত পাঠ্যক্রমের বাইরে ‘এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাকটিভি’ হিসাবে। সে বিষয়ে যতই আকর্ষণ থাক, মূল পড়াশোনা বাদ দিয়ে চর্চা করায় ছিল নিষেধাজ্ঞা। মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিকে মতো বড় পরীক্ষার আগে অনেককেই ছেড়ে দিতে হয়েছে নাচ বা গান।

কিন্তু এখন আর সেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। ছোট থেকেই পড়ুয়ার মধ্যে নানা ‘কো-কারিকুলাম’ সত্ত্বার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে স্কুলের বার্ষিক ফলাফলে তার প্রতিফলন ঘটাতে চাইছে শিক্ষা দফতর।

স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, এই বছর থেকেই প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে সঙ্গীত, নৃত্য, নাটক, আবৃত্তি বা রকমারি কাগজ দিয়ে নানা আকৃতি তৈরি করার প্রশিক্ষণ (অরিগ্যামি)। বার্ষিক মূল্যায়নে যুক্ত হবে এই কো-কারিকুলাম-এর নম্বরও। এতে আশার আলো দেখছেন শিক্ষকেরা।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন ইংরেজি মাধ্যমের বেসরকারি স্কুলে ইতিমধ্যেই এই সমস্ত বিষয়ের পৃথক ক্লাসের ব্যবস্থা রয়েছে। বাধ্যতামূলক ভাবে পড়ুয়াদের এই সমস্ত বিষয়ে পড়াশোনা করতে। তার ভিত্তিতে হয় মূল্যায়ন। কিন্তু এত দিন রাজ্যের স্কুলগুলিতে এই সুবিধা ছিল না। এ বার রাজ্যের বড় সংখ্যক পড়ুয়া তাদের স্কুলেই গান, নাচ বা আবৃত্তিতে প্রশিক্ষণ নিতে পারবে জেনে খুশি অভিভাবকেরা।

কিন্তু প্রশ্ন, পড়ুয়াদের এই সমস্ত বিষয়ের প্রশিক্ষণ দেওয়ার মতো শিক্ষক বা শিক্ষিকা রয়েছেন? দফতরের এক কর্তার কথায় “ডিএলএড বা বিএড-এর সময় শিক্ষকেরা এই বিষয়ে প্রাথমিক ভাবে প্রশিক্ষণ নেন। তাঁরা ছাত্রছাত্রীদের এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে পারবেন।” তিনি জানান, পরীক্ষার মার্কশিটগুলিতে এই বিষয়ের নম্বর উল্লেখ থাকলেও পরবর্তী ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের কিছু সুবিধা তো থাকবেই। এ ছাড়া, কার কোন দিকে আগ্রহ রয়েছে সেটাও বোঝা যাবে। পাশাপাশি মনের বিকাশ হবে বলেও মত তাঁর।

শুধু তাই নয়, বিখ্যাত মানুষের জীবন কাহিনী এবং তাঁদের অবদান বিস্তারিত ভাবে থাকছে এই পাঠ্যক্রমে। যেখান থেকে বাড়তি অনুপ্রেরণা এবং বাস্তবোচিত মন তৈরি হবে বলেই আশা। কল্যাণী পান্নালাল ইনস্টিটিউশনের প্রধানশিক্ষক রমেনচন্দ্র ভাওয়াল বলেন, “ভাল পদক্ষেপ। এর ফলে পড়ুয়াদের সার্বিক বিকাশ তো হবেই পাশাপাশি তাদের মধ্যে থাকা অনেক সম্ভাবনাকে বাইরে বের করে আনা যাবে।”

West Bengal schools West Bengal Board Primary Education west bengal school education department
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy