মেডিক্যালের সব আসন পূর্ণ না হওয়ায় স্নাতকোত্তরে ভর্তির কাট অফ কম করল ন্যাশনাল বোর্ড অফ এগ্জ়ামিনেশনস ইন মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এনবিইএমএস)। ন্যাশনাল এন্ট্রান্স কাম এলিজিবিলিটি টেস্ট পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন (নিট পিজি)-এর তৃতীয় রাউন্ডের কাউন্সেলিংয়ের আগেই এমন ঘোষণা করা হয়েছে বোর্ডের তরফে।
গত বছর অগস্টে প্রকাশিত হয় নিট পিজি-র ফলাফল। কাউন্সেলিং শুরু হয় সেপ্টেম্বরে। কিন্তু কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে স্নাতকোত্তরের সব আসনে পড়ুয়া ভর্তি না হওয়ায় ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ) কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীর উদ্দেশে চিঠি পাঠায়। এর পর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের তরফে নির্দেশ আসার পরই নয়া ঘোষণা করা হয় এনবিইএমএস-এর তরফে।
আরও পড়ুন:
আইএমএ জানিয়েছে, দেশের সরকারি চিকিৎসাব্যবস্থা অনেকাংশেই আবাসিক চিকিৎসকদের উপর নির্ভরশীল। তাই আসন ফাঁকা থেকে গেলে স্বাস্থ্য পরিষেবার উপরেও প্রভাব পড়বে।
চলতি বছর ২.৪ লক্ষ পরীক্ষার্থী নিট পিজি উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। স্নাতকোত্তরে মোট আসন ছিল ৬৫,০০০ থেকে ৭০,০০০। কিন্তু দেখা গিয়েছে, দ্বিতীয় রাউন্ডের পরও প্রায় ৯,০০০ আসন ফাঁকা রয়ে গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, কাট অফ নম্বর বেশি থাকাতেই অনেকে ভর্তি হননি। তাই নয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তৃতীয় রাউন্ডের কাউন্সেলিংয়ে অসংরক্ষিত এবং আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে কাট অফ ৫০ পার্সেন্টাইল থেকে কমিয়ে ৭ পার্সেন্টাইল করা হবে। তাঁদের কাট অফ স্কোর হবে পূর্ণমান ৮০০-র মধ্যে ১০৩। অসংরক্ষিত শ্রেণিভুক্ত বিশেষ ভাবে সক্ষম পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে কাট অফ ৪৫ থেকে ৫ পার্সেন্টাইল করা হবে। তাঁদের কাট অফ স্কোর হবে ৯০। কিন্তু সংরক্ষিত শ্রেণিভুক্তদের ক্ষেত্রে কাট অফ স্কোর ৪০ থেকে কমিয়ে ০ পার্সেন্টাইল করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন -৪০ কাট অফ স্কোর থাকলে পড়ুয়ারাও ভর্তি হতে পারবেন।
এই ঘোষণার পর তৈরি হয়েছে বিতর্ক। যদিও, এনবিইএমএস দাবি করেছে, কাট অফ পার্সেন্টাইল কমানোর অর্থ অযোগ্য চিকিৎসকদের সুযোগ করে দেওয়া নয়। স্নাতকোত্তীর্ণ যোগ্য চিকিৎসকদেরই স্নাতকোত্তর পড়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।