আসল দামের চেয়ে কমেই পাওয়া যাচ্ছিল এনসিইআরটি-র পাঠ্যবই। দেশের বিভিন্ন বই বিপণন কেন্দ্র থেকে হুবহু একই রকম বই বিক্রি চলছিল রমরমিয়ে। সেই বই কোথায় ছাপানো হচ্ছে, তার সন্ধানে যৌথ অভিযানে নেমেছিল এনসিইআরটি এবং দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখার একটি দল। সম্প্রতি সেই অভিযানে একটি ছাপাখানা থেকে ৩২,০০০-এরও বেশি ভুয়ো বই উদ্ধার করা হয়েছে।
উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের জওয়লি গ্রামের ওই ছাপাখানা থেকে উদ্ধার হয়েছে দু’টি প্রিন্টিং মেশিন, অ্যালুমিনিয়াম প্রিন্টিং প্লেট, পেপার রোলও। এনসিইআরটি বিভিন্ন বিষয়ে যে ধরনের পাঠ্যবই ছাপিয়ে থাকে, সেই বইয়েরই নকল প্রতিলিপি তৈরি করা হচ্ছিল ওই ছাপাখানায়, জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন এনসিইআরটি পাবলিকেশন বিভাগের আধিকারিকেরাও। তাঁরাই ছাপাখানায় অভিযান চালিয়ে ভুয়ো বই চিহ্নিত করতে পুলিশকে সাহায্য করেন। ওই ঘটনার পর ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং কপিরাইট অ্যাক্ট, ১৯৫৭-এর অধীনে তদন্ত শুরু হয়েছে।
— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
এর আগে ভুয়ো বই বিক্রির অভিযোগের সাপেক্ষে এনসিইআরটি-র তরফে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। কী ভাবে আসল নকলের ফারাক বোঝা যাবে, তার বিধিও পড়ুয়া ও অভিভাবকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যে সব বইয়ের চার পাতা অন্তর সংস্থার লোগো নেই, নির্ধারিত দামের থেকে কম টাকায় বই কেনা যাচ্ছে— তা ভুয়ো হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এমন বই কেউ কিনে ফেললে কী করবেন?
দ্রুত স্কুল বা স্থানীয় প্রোডাকশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারের সঙ্গে যোগাযাগ করতে হবে। ওই দফতর বই চেয়ে পাঠালে জমা দিতে হবে বই কেনার রসিদও। এর পর সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে তদন্ত করে সমস্যার সমাধান করা হবে।