Advertisement
E-Paper

দ্বাদশ নয়, মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হলেই পড়া যায় পলিটেকনিক! কী ভাবে সুযোগ মিলবে এই কোর্সে?

পলিটেকনিকের যে কোনও বিভাগে পড়ার জন্য শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক পাশ করতে হবে। দশম শ্রেণি পাশের পর পশ্চিমবঙ্গে পলিটেকনিক কলেজে পড়ার জন্য শিক্ষার্থীদের জেক্সপো (জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন ফর পলিটেকনিক্স) প্রবেশিকা পরীক্ষা দিতে হয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ মার্চ ২০২৬ ০৮:৫৪
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিগ্রির পরিবর্তে ডিপ্লোমা করেও নেওয়ার সুযোগ মেলে পলিটেকনিকে। এটি ৩ বছরের একটি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স। পলিটেকনিক পাশের পর চাকরির সুযোগও মিলতে পারে। এই প্রতিবেদনে পলিটেনিক নিয়ে পড়াশোনার খুঁটিনাটি আলোচনা করা হল।

পলিটেকনিকে কী কী বিভাগ রয়েছে?

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রিনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অটো মোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং।

যোগ্যতা

পলিটেকনিকের যে কোনও বিভাগে পড়ার জন্য শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক পাশ করতে হবে। দশম শ্রেণি পাশের পর পশ্চিমবঙ্গে পলিটেকনিক কলেজে পড়ার জন্য শিক্ষার্থীদের জেক্সপো (জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন ফর পলিটেকনিক্স) প্রবেশিকা পরীক্ষা দিতে হয়। এই পরীক্ষা পাশের পর শিক্ষার্থীদের মেধা তালিকার উপর ভিত্তি করে পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে ভর্তি হতে পারেন।

জেক্সপো প্রবেশিকা কী

এটি একটি রাজ্য স্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষা। এই পরীক্ষা পশ্চিমবঙ্গ স্টেট কাউন্সিল অফ টেকনিক্যাল এডুকেশন দ্বারা পরিচালিত হয়। ভারতের নাগরিক হতে হয়। ন্যূনতম ১৫ বছর বয়স হতে হবে শিক্ষার্থীর। মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হয়। ৫টি বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রশ্নপত্র তৈরি হয়। ৪০ নম্বর থাকে গণিত বিষয়ে, ২০ নম্বর পদার্থ বিজ্ঞানে, ২০ নম্বর রসায়ন বিষয়ে, ১০ নম্বর ইংরেজি এবং ১০ নম্বর থাকে অ্যাপ্টিটিউড বিষয়ে। মোট ১২০ মিনিটের পরীক্ষা হয়। জেক্সপো প্রবেশিকা পরীক্ষা পাশের পর মেধাতালিকার ভিত্তিতে কাউন্সেলিং শুরু হয়। শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষা পাশের পর কাউন্সেলিং-এ উত্তীর্ণ হলে রাজ্যের সরকারি ও বেসরকারি সাহায্য প্রাপ্ত পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারেন।

পলিটেকনিক পাশের পর চাকরির সুযোগ

পলিটেকনিকে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠান থেকে শংসাপত্র দেওয়া হয়। পাশ করার পর বিভাগ অনুয়ায়ী চাকরির সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ কেউ যদি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পাশ করেন, তা হলে তাঁর কাজের সুযোগ সেই সংক্রান্ত ক্ষেত্রগুলিতেই অনেক বেশি। যদিও পলিটেকনিক নিয়ে পড়ার সময় প্রথম সেমেস্টারে এক জন শিক্ষার্থীকে সব বিষয় নিয়েই পড়তে হয়। প্রথম সেমিস্টার পাশের পর শিক্ষার্থীদের বিভাগ অনুযায়ী পড়তে হয়। পলিটেকনিক পাশের পর রাজ্যে সরকারি চাকরির সুযোগও রয়েছে।

পঞ্চায়েত সংক্রান্ত ক্ষেত্রগুলিতে সিভিল, ইলেকট্রিক্যালে চাকরির সুযোগ মিলতে পারে। রেলওয়ে ক্ষেত্রে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়র, লোকো পাইলট-সহ আরও কাজের সুযোগ রয়েছে পলিটেকনিক নিয়ে পাশ করার পর।

Admission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy