সিবিএসই জানিয়েছিল চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই নবম শ্রেণিতে পড়তে হবে তিনটি ভাষা। এ বার সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন অভিভাবক ও পড়ুয়ারা। জানা গিয়েছে, আগামী সপ্তাহে ওই মামলার শুনানি হতে পারে।
গত সপ্তাহেই সিবিএসই জানিয়েছিল, ১ জুলাই থেকে নবম শ্রেণির পাঠ্যে থাকতে হবে তৃতীয় ভাষা। এরই বিরুদ্ধে শুক্রবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিভাবকদের একাংশ। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চে আইনজীবী মুকুল রোহতাগি প্রশ্ন তোলেন, কী ভাবে এত কম সময়ের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে পারে? রোহতাগি আগামী সোমবার, ২৫ মে এই মামলার শুনানির আনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “পড়ুয়ারা এমনিতেই পাঠ্যক্রমের চাপে মুহ্যমান, তার উপর এ ভাবে নতুন বিষয় চাপিয়ে দিলে তাদের মানসিকতায় প্রভাব পড়তে পারে।”
প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এই মামলার শুনানি হবে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ অনুযায়ী, দু’টি দেশীয় ভাষাশিক্ষার উপর জোর দিয়েছিল কেন্দ্র। সেই অনুযায়ী গত ১৫ মে সিবিএসই এক নির্দেশিকা জারি করে। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয় ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষেই নবম শ্রেণি পরীক্ষায় এই তিনটি ভাষার মূল্যায়ন করা হবে। যদিও দশমের চূড়ান্ত পরীক্ষায় তৃতীয় ভাষাটির পরীক্ষা দিতে হবে না বলেই জানানো হয়েছিল।জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ এবং ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়র্ক ফর স্কুল এডুকেশন-এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই এই নির্দেশিকা।
সিবিএসই-র নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, স্কুলগুলি নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী ভাষা বেছে নিতে পারবে। তবে সে ক্ষেত্রে দু’টি ভারতীয় ভাষা অবশ্যই থাকতে হবে। ইংরেজিকে বিদেশি হিসাবে ধার্য করা হবে বলেই মনে করছিলেন শিক্ষকদের একাংশ। সিবিএসই জানিয়েছিল, “আর-৩ বা তৃতীয় ভাষার জন্য স্কুলগুলি অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন করবে। তবে তৃতীয় ভাষায় পড়ুয়াদের নম্বরের প্রভাব থাকবে সিবিএসই-র শংসাপত্রে।”