Advertisement
E-Paper

পরিচয়পত্র ছাড়া ঢুকতে চাইলেই জিজ্ঞাসাবাদ! কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে কড়া হচ্ছে পুলিশি প্রহরা

৪ মে ভোটগণনার পর দিনই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাস। দু’দল ছাত্রের সংঘর্ষে জখম হন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের তৃতীয় বর্ষের এক পড়ুয়া-সহ বেশ কয়েকজন। তার পরই উঠতে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার প্রশ্ন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ মে ২০২৬ ১৮:২৭
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় । ছবি: সংগৃহীত।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ক্যাম্পাসের দায়িত্বে থাকবেন পুলিশ কর্মীরা।

৪ মে ভোটগণনার পর দিনই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাস। দু’দল ছাত্রের সংঘর্ষে জখম হন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের তৃতীয় বর্ষের এক পড়ুয়া-সহ বেশ কয়েকজন। তার পরই উঠতে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার প্রশ্ন।

বুধবার, বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্তা জানিয়েছেন, বেলা ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মূল ফটকের বাইরে পুলিশি প্রহরা থাকবে। দু’টি ফটকের জন্যই এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র ছাড়া কাউকে ঢুকতে গেলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। বহিরাগতের অবাধ যাতায়াত বন্ধ করতে চাইছেন কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসের ভিতরে এবং বাইরে ছাত্র সংগঠন ডিএসও এবং এবিভিপির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দু’পক্ষেরই বেশ কিছু পড়ুয়া জখম হন বলে অভিযোগ। প্রাথমিক চিকিৎসার পর সকলকে ছেড়ে দেওয়া হলেও মেডিক্যাল তৃতীয় বর্ষের ছাত্রের মাথায় বেশ কয়েকটি সেলাই পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। দু’দলই বহিরাগত হামলার অভিযোগ তুলেছে।

ডিএসও-র অভিযোগ, এবিভিপি-র বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে ঢুকে তাদের ব্যানার ছিঁড়তে গেলে বাধা দেওয়া হয়। সেখান থেকেই উত্তেজনা ছড়ায়। বাঁশ ও লাঠি দিয়েও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

এ দিকে এবিভিপি-র কলকাতা মহানগর সম্পাদক ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র স্বাধীন হালদার জানান, ক্যাম্পাসে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন তাঁরা। ‘বন্দে মাতরম’, ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দেওয়ার সময়ই ডিএসও চড়াও হয়।

কিন্তু প্রশ্ন উঠেতে শুরু করে, কী ভাবে বহিরাগতেরা ক্যাম্পাসের ভিতরে ঢুকে গোলমালে জড়িয়ে পড়লেন?

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেবাশিস দাস জানান, তাঁর কাছে কোনও লিখিত অভিযোগ আসেনি। কিন্তু তা সত্ত্বেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। প্রথমত, দু’টি ফটকেই নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। স্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়া রয়েছে, পড়ুয়ার পরিচয়পত্র ছাড়া কেউ ঢুকতে গেলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। কোনও ভাবে বহিরাগতদের জন্যে অবারিত দ্বার হতে দেওয়া চলবে না। আপাত ভাবে এই নিয়ম থাকলেও মঙ্গলবার নিয়মের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা দেখা গিয়েছিল বলেই মনে করছেন কর্তৃপক্ষ। সে কারণে বুধবার ফের স্পষ্ট ভাবে ওই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। জোড়াসাঁকো থানায় বিষয়টি জানানো হয়েছে।

রেজিস্ট্রার বলেন, ‘‘ক্যাম্পাসের ভিতরে বা বাইরে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা কাম্য নয়। তাই পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

এ দিকে মঙ্গলবারের ঘটনার প্রেক্ষিতে ডিএসও পদক্ষেপ করতে চলেছে। তারা জানিয়েছে, এবিভিপি হামলার কথা লিখিত ভাবেই শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের জানানো হবে।

police Securiy
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy