Advertisement
E-Paper

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠান! দশ দফা শর্ত মানলেই মিলবে অনুমতি

পড়ুয়াদের আবেদনে ডিন অফ স্টুডেন্টস এবং বিভাগীয় প্রধানের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পড়ুয়া ব্যতীত অন্য যে কোনও অনুষ্ঠানের জন্য বিভাগীয় প্রধান, অধিকর্তা বা ডিনের স্বাক্ষর প্রয়োজন বলে উল্লেখ রয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:১৪
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত।

ক্যাম্পাসের ভিতর অনুষ্ঠান হলে অসুবিধা হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশ অঞ্চলের মানুষের। মার্চে এমনই অভিযোগ জমা পড়েছিল উপাচার্যের কাছে। তার পরই কি নড়ে বসেছেন কর্তৃপক্ষ? প্রশ্ন উঠছে নতুন বিজ্ঞপ্তি ঘিরে।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। জানানো হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌহদ্দির ভিতরের কোনও প্রেক্ষাগৃহে বা মুক্ত মঞ্চে অনুষ্ঠান করতে গেলে আগে অনুমতি নিতে হবে। লিখিত ফর্ম পূরণ করে কার্যত মুচলেকা দিতে হবে। বেশ শর্তে রাজি হলেই কর্তৃপক্ষ অনুষ্ঠানের অনুমতি দেবেন। এ জন্য পড়ুয়াদের আবেদনে ডিন অফ স্টুডেন্টস এবং বিভাগীয় প্রধানের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পড়ুয়া ব্যতীত অন্য যে কোনও অনুষ্ঠানের জন্য বিভাগীয় প্রধান, অধিকর্তা বা ডিনের স্বাক্ষর প্রয়োজন বলে উল্লেখ রয়েছে। তাঁদের সুপারিশও করতে হবে। ‘অ্যাপ্রুভিং অ্যান্ড মনিটরিং কমিটি ফর প্রোগ্রাম’-এর চেয়ারম্যান এবং রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরও প্রয়োজন।

যে সব শর্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে সরকারি নিয়মে শব্দবিধি মেনে চলার কথা। বিশেষ ভাবে উল্লেখ রয়েছে ‘সাউন্ড বক্স’ ব্যবহারের কথাও। উল্লিখিত ১০ দফা শর্তের কোনওটি লঙ্ঘন করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন মেনে আয়োজকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করবে। অবাঞ্ছিত কোনও জমায়েত, অবাঞ্ছিত কোনও ঘটনা ঘটলেও দায় নিতে হবে আয়োজকদেরই।

Advertisement

অনেকে মনে করছেন, এই বিজ্ঞপ্তির নেপথ্যে বিজ্ঞান বিভাগের সাম্প্রতিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক। গত ২৫ মার্চ যাদবপুর ক্যাম্পাসের ভিতরে বিজ্ঞান বিভাগের পড়ুয়াদের বার্ষিক উৎসব চলছিল। ক্যাম্পাস সংলগ্ন সেলিমপুরের এক বাসিন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রারকে ই-মেল করে জানিয়েছিলেন যে, রাত ১০টার পরেও ওই অনুষ্ঠান হয়েছে। তারস্বরে বেজেছে মাইক। সেই শব্দে তাঁদের অসুবিধা হয়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানে কী ভবে রাত ১০টার পরও এ ভাবে অনুষ্ঠান চলে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

যদিও ওই অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা দলের তরফে ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়। কর্তৃপক্ষ ১৩ সদস্যের ‘অ্যাপ্রুভাল অ্যান্ড মনিটরিং কমিটি অফ কালচারাল প্রোগ্রাম’-এর উপর বিষয়টি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব দেন। এ বার তাঁরা কড়া হাতে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আধিকারিক বলেন, “এই বিষয়গুলির নিয়ে মাস দুয়েক আগেই কর্মসমিতির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে সেই সময় তা বলবৎ করা হয়নি। সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষিতেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে এই নিয়ম জারি করতে চাইছেন।”

Letter of Undertaking JU Program
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy