চিকিৎসা সংক্রান্ত পেশায় অ্যালায়েড অ্যান্ড হেলথকেয়ার বিভাগের কর্মীদের গুরুত্ব চিকিৎসক বা নার্সের তুলনায় কম নয়। রোগ নির্ণয়ের জন্য যে সব শারীরিক পরীক্ষা করা হয়, তার দায়িত্বে থাকেন তাঁরাই। অ্যালায়েড অ্যান্ড হেলথকেয়ার বিভাগে যে সব পদে চাকরি পাওয়া যায়। সেগুলি হল—
১. মেডিক্যাল ল্যাব টেকনিশিয়ান
২. অপারেশন থিয়েটার টেকনিশিয়ান
৩. হসপিটাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন হেলথকেয়ার প্রফেশনাল
৪. ডায়ালিসিস টেকনিশিয়ান
৫.এক্সরে টেকনিশিয়ান
৬.এমার্জেন্সি মেডিক্যাল টেকনিশিয়ান
এ ছাড়াও নানা ধরনের চাকরির সুযোগ রয়েছে। তবে সে ক্ষেত্রে যথাযথ প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। এই প্রশিক্ষণে এই ধরনের কাজ ছাড়াও আরও অন্য রকম কাজেরও সুযোগ আছে। যেমন—
১. মেডিক্যাল প্রশিক্ষক
২. মেডিক্যাল কনটেন্ট রাইটার
৩. বিক্রয় প্রতিনিধি
৪. সহকারী গবেষক
এই পেশাগুলি বেছে নিয়ে ক্রমাগত নিজেদের দক্ষতা বাড়িয়ে যে কোনও বিষয়ে স্পেশালাইজ়েশন করতে পারেন। যেমন, এক জন ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের উন্নত করে মেডিক্যাল ল্যাব টেকনিশিয়ান, ল্যাব সুপারভাইজার, ল্যাব ম্যানেজার এবং সব শেষে ল্যাব ডিরেক্টর হতে পারবেন। অর্থাৎ এই পেশাতে সকলেই শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পদোন্নতি ঘটাতে পারেন।
যোগ্যতা
যে কোনও স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে বিজ্ঞান বিভাগে দ্বাদশ উত্তীর্ণ হতে হয়। তার পরই ‘অ্যালায়েড অ্যান্ড হেলথকেয়ার’ শাখায় পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে দ্বাদশে পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, ইংরেজি থাকতেই হয়। তবে প্রবেশিকায় উত্তীর্ণ হয়েই মেধাতালিকার ভিত্তিতে ভর্তি হওয়া যায়।
কী কী কোর্স রয়েছে?
বিএসসি রেডিওলোজি, বিএসসি অডিওলজি ও স্পিচ থেরাপি, ব্যাচেলর অফ ফিজিওথেরাপি, বিএসসি অপথ্যালমিক টেকনোলজি, বিএসসি অপারেশন থিয়েটার টেকনোলজি-সহ একাধিক বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে।
কোন কোন প্রতিষ্ঠানে পড়ানো হয়—
দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি অফ হেলথ সায়েন্সেস, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, কলেজ অফ মেডিসিন অ্যান্ড সাগরদত্ত হাসপাতাল, ইনস্টিটিউট অফ পোস্ট গ্র্যাজুয়েট মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (আইপিজিএমইআর), নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিন-এ পড়ানো হয়। এ ছাড়াও দেশের মধ্যে নয়া দিল্লির এইমস, চণ্ডীগড়ের পিজিআইএমইআর, দিল্লির ডিপিএমআই ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটে পড়ানো হয়।