মে মাসের প্রথম সপ্তাহেই হায়দরাবাদের এক সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, বাড়ি থেকে কাজ করাই ভাল। যেমন করার অভ্যাস তৈরি হয়েছিল করোনা অতিমারি পর্বে। কারণ হিসাবে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছিলেন পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে কমছে জ্বালানি। তৈরি হতে পারে সঙ্কট।
এ বার প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে পরীক্ষামূলক ভাবে বাড়ি থেকে কাজের নির্দেশিকা জারি করল বিকাশ ভবন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, স্কুল শিক্ষা কমিশনার-সহ স্কুল শিক্ষা দফতরের একাধিক উচ্চ পদস্থ আধিকারিক বাড়ি থেকে কাজ করবেন পর্যায়ক্রমিক ভাবে। এর আসল কারণ গাড়ির ব্যবহার কমানো। তাই, কবে কোন আধিকারিক কার্যালয়ে আসবেন এবং কখন কোন গাড়ি বেরোবে তার সুনির্দিষ্ট তালিকাও তৈরি করা হয়েছে।
এরই পাশাপাশি আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন অকারণে ভ্রমণ না করেন। যে কোনও কাজই আধিকারিকরা করবেন ডিজিটাল পদ্ধতিতে। প্রয়োজনীয় যে কোনও বৈঠক হবে ভিডিয়ো কনফারেন্সিং পদ্ধতিতে। পাশাপাশি অকারণে ফোটোকপি বা নথি ছাপানোর উপরও রাশ টানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুধু তা-ই নয়, বিকাশ ভবনে বিদ্যুৎ ব্যবহারের উপরও নিয়ন্ত্রণ জারি করার কথা বলা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে লিফ্ট-এর ব্যবহারেও রাশ টানা হতে পারে। সন্ধ্যা ৭টার পর অতিরিক্ত আলো জ্বালিয়ে না রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দফতরের এক কর্তা জানান, এখনই সর্বস্তরের কর্মীদের জন্য বাড়ি থেকে কাজের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে না। কারণ, সাধারণের কাজকর্ম যাতে ব্যাহত না হয়, সে দিকে নজর রাখতে হবে। পরীক্ষামূলক ভাবে উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের জন্যই এই নিয়ম জারি করা হয়েছে। তাঁরা সব রকম ভাবেই বাড়ি থেকে কাজ করতে পারবেন। তবে প্রয়োজন হলেই তাঁদের অফিসে ডেকে নেওয়া হতে পারে।