কোরপান-হত্যায় ১২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিল পুলিশ। মঙ্গলবার, শিয়ালদহ আদালতে। অভিযুক্তদের ১০ জন হবু চিকিত্সক। তাঁদের মধ্যে তিন জনকে পলাতক বলে চার্জশিটে দাবি করেছে পুলিশ। বাকি নয় অভিযুক্ত বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন।
পুলিশ সূত্রের খবর, নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ছাত্রাবাসে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক কোরপান শাহ খুনের ঘটনার ৮৬ দিনের মাথায় জমা দেওয়া ওই চার্জশিটে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খুন, সাক্ষ্য প্রমাণ লোপাট-সহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। যে তিন জনকে পলাতক দেখানো হয়েছে, তাঁরা ওই মেডিক্যাল কলেজের তৃতীয়, চতুর্থ এবং ফাইনাল বর্ষের ছাত্র। গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, ১১৩ পাতার ওই চার্জশিটে ৪১ জনের সাক্ষ্য রয়েছে। সাক্ষীদের মধ্যে বেশ কয়েক জন ওই হাসপাতালের হবু চিকিত্সক বলে লালবাজার সূত্রের খবর। এক তদন্তকারী অফিসার বলেন, “চোর সন্দেহেই ওই হবু চিকিত্সকেরা কোরপানকে মারধর করে খুন করেন বলে আমারা তদন্তে জানতে পেরেছি।”
লালবাজার সূত্রের খবর, ১৬ নভেম্বর ভোরে এনআরএসের ছাত্রাবাসের চতুর্থতলে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক কোরপান শাহকে থামের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন ওই ছাত্রাবাসের হবু চিকিত্সকেরা। মারধরের পরে সেখানেই কোরপানকে ফেলে রেখে এলাকা ছাড়েন তাঁরা। পরে টেলিফোনে খবর পেয়ে এন্টালি থানার পুলিশ কোরপানকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিত্সকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।