নির্বাচনী দায়িত্বের জন্য ব্যস্ততার কারণে পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিস (এগ্জ়িকিউটিভ) আধিকারিকদের বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার জারি হওয়া একটি নির্দেশিকায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। রাজ্যের প্রশাসনিক ও কর্মিবিনিয়োগ দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, পূর্বে ১২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী ৪০ বছর বা তার ঊর্ধ্বে বয়সি ডাবলুবিসিএস আধিকারিকদের জন্য বার্ষিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী এই স্বাস্থ্যপরীক্ষা সংশ্লিষ্ট অর্থবর্ষের শেষ ত্রৈমাসিকের মধ্যেই সম্পন্ন করার কথা ছিল। তবে চলতি বছরে সাধারণ বিধানসভা নির্বাচন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দায়িত্বে বিপুল সংখ্যক আধিকারিক ব্যস্ত থাকায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি বিবেচনা করে রাজ্যপাল স্বাস্থ্যপরীক্ষার সময়সীমা বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য বাধ্যতামূলক এই স্বাস্থ্যপরীক্ষা আগামী ৩১ মে ২০২৬ পর্যন্ত সম্পন্ন করা যাবে। ফলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকেরা অতিরিক্ত সময় পাচ্ছেন তাঁদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা সম্পূর্ণ করার জন্য।
প্রশাসনিক মহলের মতে, নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিয়োজিত থাকার ফলে অনেক আধিকারিকের পক্ষে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানো সম্ভব হয়নি। তাই বাস্তব পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এই সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই নির্দেশ ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন দফতর, জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য দফতর এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি নির্দেশটি প্রশাসনিক ও কর্মিবিনিয়োগ দফতরের ওয়েবসাইটেও আপলোড করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, আধিকারিকদের নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার এই বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালু করেছিল, যাতে প্রশাসনিক কর্মক্ষমতা বজায় থাকে এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ঝুঁকি কমানো যায়।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত