মোথাবাড়ির ঘটনায় ধৃত ৪৭ জন অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আদালতে আবেদন করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ১২টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় ধৃতদের আগেই পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছিল মালদহের মুখ্য বিচার বিভাগীয় আদালত। তখন বিচারক ৪৬ জনেরই জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। এ বার অভিযুক্তদের নিজেদের হেফাজতে চাইল এনআইএ।
এনআই সূত্রে খবর, মোথাবাড়ির ঘটনায় ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় খুনের চেষ্টা, অন্যায় ভাবে আটক করা, বেআইনি জমায়েত, বেআইনি জমায়েত সরাতে গেলে সরকারি কর্মীদের উপর হামলা, সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া, সরকারি কর্মীদের আদেশ অমান্য করা, সরকারি কর্মীদের আঘাত করা, সরকারি কর্মীকে মারধর, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন, দীর্ঘ সময় জাতীয় সড়ক আটকে রেখে বেআইনি অবরোধ করা, এই ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে গত সপ্তাহের বুধবার দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মালদহের মোথাবাড়ি, সুজাপুর-সহ বিভিন্ন এলাকা। এসআইআরের কাজে নিযুক্ত সাত জন বিচারককে কালিয়াচক-২ ব্লক অফিসের ভিতরে রাত পর্যন্ত আটকে রাখে উত্তেজিত জনতা। সেই বিষয় গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। রাজ্য পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, সিবিআই বা এনআইএ-কে দিয়ে তদন্ত করাতে হবে। সেই মতো কমিশন তদন্তভার এনআইএর হাতে দেয়।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
১৯:১৭
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা -
১৯:০৮
নওদা, রেজিনগরের মধ্যে কোন আসন ছাড়ছেন, জানিয়ে দিলেন হুমায়ুন! উপনির্বাচনে প্রার্থী হবেন পুত্র আজ়াদ -
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত