উচ্চশিক্ষা রয়েছে তাঁদের, কিন্তু নেই চাকরি! তাই ভরসা রাখতে হচ্ছে এমপ্লয়েমেন্ট এক্সচেঞ্জেই। পিটিআই সূত্রে, প্রায় ২১ হাজার প্রার্থী আবেদন করেছেন কেন্দ্রের শ্রম দফতর বা দিল্লি এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ-এ। এঁদের মধ্যে ১২,৯৯৭ জন পুরুষ, ৭,০২৫ জন মহিলা এবং এক জন রূপান্তরকামী রয়েছেন।
আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি শেষ করা উচ্চশিক্ষিতেরাও। হিসাব বলছে, ৫জন প্রার্থীর পিএইচডি রয়েছে, ১৪০০ স্নাতকোত্তর যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীর আবেদন পাওয়া গিয়েছে, ১৩৪২ প্রার্থী স্নাতকের পর ডিপ্লোমা করেছেন।
আরও পড়ুন:
তথ্য বলছে, ২০২৩-২০২৪ অর্থবর্ষে দিল্লির বেকারত্বের হার ছিল ২.১ শতাংশ। ২০২৪-এ এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জে আবেদন করেছিলেন ১৯,৯৪১ প্রার্থী। স্নাতক প্রার্থীদের মধ্যে কলা বিভাগের ২,৯২৫ জন এবং বিজ্ঞান বিভাগের ১,০২৫ জন আবেদন করেছিলেন।
কিন্তু এমন যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বেতন মিলবে কেমন? সে পরিসংখ্যানও উঠে এসেছে। ২০২৫–এ দিল্লি সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাস থেকে কর্মীদের জন্য ন্যূনতম মাসিক বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, স্নাতক অথবা তার চেয়ে বেশি যোগ্যতাসম্পন্নদের ন্যূনতম ২৪,৩৫৬ টাকা বেতন দিতে হবে এবং তার চেয়ে কম যোগ্যতাসম্পন্নদের বেতন দিতেই হবে ১৮,৪৫৬ টাকা।