রেলে চিফ কমার্শিয়াল কাম টিকিট সুপারভাইসর, স্টেশন মাস্টার, গুডস ট্রেন ম্যানেজার, জুনিয়র অ্যাকাউন্টস অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম টাইপিস্ট, সিনিয়র ক্লার্ক কাম টাইপিস্ট এবং ট্রাফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। নন টেকনিক্যাল পপুলার ক্যাটাগরি (এনটিপিসি) বিভাগে উল্লিখিত পদের জন্য স্নাতকদের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। যোগ্যতা যাচাইয়ের প্রথম পর্বের পরীক্ষা ২৭ মার্চ পর্যন্ত চলবে। ওই পরীক্ষার দিনগুলিতে পরীক্ষার্থীদের কাছে অ্যাডমিট কার্ড ছাড়াও পরিচয়পত্র থাকতে হবে।
কী কী নিয়ম মেনে চলতে হবে?
- বায়োমেট্রিক সিকিয়োরিটি সিস্টেম’-এর মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের পরিচয় যাচাই করা হবে। পরীক্ষাকেন্দ্রেই আবেদনকারীদের তথ্যের সঙ্গে আধার কার্ডের তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে। তাই আধার কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক।
- পরীক্ষার্থীদের আধার কার্ডের ডিজিটাল কপিটি ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথোরিটি অফ ইন্ডিয়া (ইউআইডিএআই) সিস্টেম মারফত ‘আনলক’ করে রাখতে হবে।
- পাসপোর্ট সাইজ়ের দু’টি ছবিও রাখতেই হবে।
- কম্পিউটার বেসড টেস্ট (সিবিটি) পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাটি নেওয়া হবে। তাই প্রার্থীদের সঙ্গে মোবাইল, স্মার্ট ওয়াচ কিংবা কোনও বৈদ্যুতিন সামগ্রী থাকা চলবে না।
- এ ছাড়াও কোনও ধর্মীয় বা দলীয় প্রতীক চিহ্ন সঙ্গে রাখা যাবে না। পরীক্ষার্থীদের কাছে এমন সামগ্রী পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা বাতিল করা হবে।
- তিনটি অর্ধে পরীক্ষা নেওয়া হবে, পরীক্ষা শুরু হওয়ার দু’ঘণ্টা আগে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে পোঁছে যেতে হবে।
- সাধারণ পরীক্ষার্থীদের ১০০ নম্বরের ওই পরীক্ষা ৯০ মিনিটের মধ্যে শেষ করতে হবে। তবে, যাঁরা বিশেষ ভাবে সক্ষম, তাঁরা ১২০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করার সুযোগ পাবেন।
রেলের পরীক্ষায় এর আগে মোবাইল-সহ একাধিক ভুয়ো পরীক্ষার্থীকে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়েছিল। তাই বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে সেই সমস্ত ভুয়ো পরীক্ষার্থীদের চিহ্নিত করতে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে দেহতল্লাশির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রেই জ্যামারও থাকছে।
চলতি বছর এনটিপিসি গ্র্যাজুয়েট লেভেল পরীক্ষার মাধ্যমে ৫,৮১০টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। সংরক্ষিতদের ২,৩২১, অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়াদের ৬০২, অনগ্রসর শ্রেণিভুক্তদের ১,৫০৮, তফসিলি জাতিভুক্তদের ৯২২ এবং তফফিলি উপজাতিভুক্তদের ৪৫৭ শূন্যপদে কাজের সুযোগ দেওয়া হবে