সম্পর্কে ছিলেন বলে গুঞ্জন ছিল। তবে সেই সম্পর্কে এ বার ইতি টানলেন ঋষভ রিখিরাম শর্মা ও সান্য মলহোত্র। এমনই খবর ছড়িয়েছে বিনোদনজগতে।
শোনা যায়, দীর্ঘ এক বছর সম্পর্কে ছিলেন সান্য ও ঋষভ। সম্প্রতি নীরবেই তাঁদের পথ আলাদা হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। কিন্তু চাপা থাকেনি সেই খবর। সান্য ও ঋষভের এক ঘনিষ্ঠ সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তাঁদের বিচ্ছেদের কথা। ২০২৫ সালের প্রথম থেকে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন ঋষভ ও সান্য। কিন্তু সম্প্রতি তাঁরা পরস্পরকে সমাজমাধ্যমে ‘আনফলো’ করেছেন। কেন দু’জনের সম্পর্কে চিড় ধরল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে শোনা যাচ্ছে, ঋষভ নাকি অন্য একটি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন।
উল্লেখ্য, সান্য ও ঋষভ কখনওই তাঁদের সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আনেননি। বরং দু’জনকে যাতে প্রকাশ্যে একসঙ্গে দেখা না যায়, সেই বিষয়ে বরাবর সতর্ক থেকেছেন তিনি। তবে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে ছবিশিকারিরা তাঁদের একসঙ্গে ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন। বিচ্ছেদ নিয়েও এখনও তাঁরা নীরব।
উল্লেখ্য, সান্যের শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘সনী সংস্কারি কি তুলসী কুমারি’। এই ছবিতে তাঁকে রোহিত শরাফের বিপরীতে দেখা গিয়েছিল। ২০২৫ সালে সান্যের আরও একটি ছবি মুক্তি পেয়েছিল—‘ঠগ লাইফ’। তবে সেই ছবি সেই ভাবে সাড়া ফেলতে পারেনি।
অন্য দিকে, সেতারবাদক ঋষভ বর্তমানে বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠান করছেন। খুব শীঘ্রই তাঁকে কলকাতায়ও অনুষ্ঠান করতে দেখা যাবে। অন্য একটি বিতর্ক রয়েছে ঋষভকে ঘিরে। সেই বিতর্কের সূত্রপাত অবশ্য ২০১২ সালে। গুরুতর অসুস্থতার কারণে নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি দেন সেতারবাদক রবিশঙ্কর। ওই বছরেই ঋষভ ঘোষণা করেছিলেন, তিনিই নাকি রবিশঙ্করের শেষ শিষ্য। এই তথ্য ঠিক নয় বলে দাবি করেন রবিশঙ্করের কন্যা অনুষ্কাশঙ্কর। সম্প্রতি রবিশঙ্করের প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গুরু-শিষ্য সম্পর্ক বা পরম্পরা তৈরি হয়। দীর্ঘ দিন ধরে সেই প্রথাই চলে আসছে। কিন্তু পুরোহিত, মন্ত্রোচ্চারণ, হাতে সুতো বাঁধা— এ সব কোনও কিছুই হয়নি ঋষভের।