Advertisement
E-Paper

‘ও এলে মাসে ১৫ কেজি নয়, ৩০ কেজি চাল লাগবে!’ শাশুড়ির সামনেই অদ্রিজাকে বলেছেন বিগ্নেশ

সাতপাক ঘুরতে দেরি আছে। তার আগেই শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে মিশে গিয়েছেন অভিনেত্রী। আনন্দবাজার ডট কম-কে মজার গল্পও শোনালেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:০৪
অদ্রিজা রায়ের সঙ্গে আংটিবদল বিগ্নেশ আইয়ারের।

অদ্রিজা রায়ের সঙ্গে আংটিবদল বিগ্নেশ আইয়ারের। ছবি: ফেসবুক।

সম্প্রতি প্রেমিক বিগ্নেশ আইয়ারের সঙ্গে আংটিবদল সেরেছেন। আগামী দু’বছরের মধ্যে যদিও বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন না অদ্রিজা রায়। স্বামী-শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে ভালই মিলমিশ হয়ে গিয়েছে তাঁর। বাগ্‌দানের পর আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির গল্পও করলেন অভিনেত্রী।

শ্বশুরবাড়ির প্রসঙ্গ উঠতেই অদ্রিজা বললেন, “দুই ভাই ওরা। বিগ্নেশ বড়। সেই অনুযায়ী, আমি বাড়ির বড় বৌ হব।” কাজের ফাঁকে তাঁর দিব্যি আড্ডা চলে হবু স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে! খুনসুটিতেও মাতেন তাঁরা। যেমন? অদ্রিজা অনর্গল, “সবাই জানেন, আমি খেতে ভালবাসি। পছন্দের পদ পেলে পরিমাণের বাইরে গিয়ে খেয়ে ফেলি।”

তেমনই একটি ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেছেন। একদিন অভিনেত্রীর পাতে ইলিশ মাছ আর তার তেল। “গরম ভাতে ইলিশ মাছের তেল পেলে আর কিছু লাগে? সঙ্গে দু’টুকরো ইলিশ মাছ। একটি হাঁড়িতে আমার, বিগ্নেশের আর অন্য একজনের ভাত রাখা। খাওয়ার নেশায় তিন জনের ভাত একা খেয়েছি! সেটা বিগ্নেশ দেখেছে।” দিন কয়েক পরে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। এ বার আর বিগ্নেশ খুনসুটির লোভ সামলাতে পারেননি। অদ্রিজাকে নিয়ে সোজা হাজির হবু শাশুড়ির কাছে!

মায়ের সামনে হবু পুত্রবধূ। বিগ্নেশের ছদ্ম আক্ষেপ, “মা, অদ্রিজা আমাদের বাড়িতে আসার পর আর মাসে ১৫ কেজি চালে কুলোবে না। ৩০ কেজি চাল আনতে হবে।” বিষয়টি শুনে তাঁর মা-ও বিস্মিত। তখন হাসতে হাসতে তিনি জানান সব ঘটনা। পছন্দের পদ পেলে অদ্রিজা গুছিয়ে খেতে ভালবাসেন, আগাম জেনে খুশি শাশুড়িও। হবু বৌমাকে আশ্বাস দিয়েছেন, বাড়িতে ভালমন্দ রান্না হলে অদ্রিজা যাতে তৃপ্তি করে খেতে পারেন, সেই দিকটা সবার আগে দেখবেন তিনি।

তখনও অদ্রিজার প্রেমের খবর প্রকাশ্যে আসেনি। একাধিক সাক্ষাৎকারে আনন্দবাজার ডট কম-কেই তিনি জানিয়েছিলেন, বিনোদনদুনিয়ার কাউকে বিয়ে করবেন না। তা বলে একেবারে ভিন্‌ভাষীকে পছন্দ করলেন! মনের সুখে বাংলায় কথা বলতে পারবেন না। ঝগড়াও তো করতে পারবেন না প্রাণখুলে! প্রশ্ন শুনে অভিনেত্রী হেসে ফেলেছেন। তার পর বলেছেন, “শাশুড়ি মরাঠী। শ্বশুর তামিল। শ্বশুরবাড়িতে শাশুড়ির প্রাধান্য। তাই সবাই মরাঠী ভাষায় কথা বলেন। আমিও শিখছি। পাশাপাশি, বাংলা শিখছেন বিঘ্নেশ।” তা ছাড়া, শ্বশুরবাড়িতে এমন অনেকে আছেন, যাঁরা বাংলা জানেন। অদ্রিজা অকপট, “বাংলায় কথা বলতে ইচ্ছে হলে ওঁদের সঙ্গে আড্ডা দেব।”

Adrija Roy Vignesh Iyar
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy