প্রতি বছর এই দিনটি এলে এখনও ছেলেবেলায় ফিরে যান সুরকার জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আরও অনেকের মতো তিনিও পয়লা বৈশাখের পর অপেক্ষায় থাকতেন অক্ষয়তৃতীয়ার। তা হলে আরও এক বার কমলা রসনা খেতে পারবেন। আনন্দবাজার ডট কম যোগাযোগ করতেই জিৎ বললেন, ‘‘কাগজের সাদা গ্লাসে ঠান্ডা পানীয়। উপরে বরফের টুকরো ভাসছে। এর উপরে আমার কী যে লোভ!’’
নতুন জামা হোক না হোক, রসনার সঙ্গে একটি ক্যালেন্ডার আর মিষ্টির বাক্স হলেই খুব খুশি তিনি।
স্মৃতির ঝাঁপি উপুড় করতে করতে জিৎ বললেন, ‘‘ওই দিনগুলো খুব সহজ, কী ভীষণ সুন্দর! মায়ের বিধি-নিষেধ এই দিন একটু যেন হালকা। একটু বেশি ক্ষণ বাইরে কাটানোর দিন।’’ আর ছিল ভূরিভোজ। ‘‘বাঙালির উৎসব খাওয়া-দাওয়া ছাড়া অসম্পূর্ণ। মায়ের হাতের পাঁঠার মাংস, ভাত ওই দিন হবেই।"
আরও পড়ুন:
ধীরে ধীরে বড় হয়েছেন সুরকার। গানের দুনিয়ায় পা রেখেছেন। তখন থেকে বদলে গিয়েছে তাঁর অক্ষয়তৃতীয়া। বললেন, ‘‘বিনোদন দুনিয়ায় এসে বুঝলাম, এই দিন ছবির মহরত, নতুন গানমুক্তির দিন।’’ এই দিনে তাঁরও গান প্রকাশিত হয়েছে। ‘বোঝে না সে বোঝে না’ এবং ‘প্রেম আমার’— এই দুটো ছবির গান বেরিয়েছিল জিতের। দুটোই জনপ্রিয়।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- পুরাণ মতে, অক্ষয় তৃতীয়ার দিনেই কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাস মহাভারতের কাহিনি বর্ণন করতে শুরু করেছিলেন গণেশকে। এ দিন থেকেই শ্রুতিলিখনের কাজ শুরু করেন গণেশ। বৈশাখ মাসের শুক্ল তৃতীয়া তিথিতেই শ্রীক্ষেত্র পুরীতে শুরু হয় জগন্নাথের রথ নির্মাণ।
- বৈশাখ মাসের শুক্ল তৃতীয়া তিথিটিকে অক্ষয় তৃতীয়া হিসাবে বিবেচনা করা হয়। হিন্দুদের পাশাপাশি জৈন ধর্মাবলম্বীরাও এই দিনটিকে পবিত্র মনে করেন। সৌভাগ্য অক্ষয় হয় এই তিথিতে— এমনই বিশ্বাস। বাঙালি ব্যবসায়ীর কাছে পয়লা বৈশাখের পর এই তিথিতেই হয় বিশেষ উদ্যাপন। দোকানে দোকানে পূজিত হন আরাধ্য দেবতা। মনে করা হয়, এই তিথি যে কোনও দেবতার পুজোর জন্যই প্রশস্ত।
-
রণিতা কি লাখ টাকার সোনা কিনে অক্ষয়তৃতীয়া পালন করলেন?
-
‘আমি ঈশ্বরে বিশ্বাসী, তবে আচার মানি না’, অক্ষয়তৃতীয়ায় কি বিশেষ পুজো করেন লোপামুদ্রা?
-
তখন অবাঙালিদের ধনতেরাস আমাদের অক্ষয়তৃতীয়া! সোনা কেনা, ছবি মহরতের দিন: ইন্দ্রাণী দত্ত
-
‘কালো রঙের গাড়ি জীবনে কিনিনি’, অক্ষয়তৃতীয়ার শুভ-অশুভ নিয়ে কী জানালেন তৃণা সাহা?
-
প্রয়োজনে শাঁখা খুলতে হলেও সিঁদুর পরলে স্বামী দীর্ঘায়ু হন, বিশ্বাস করি: শ্রীময়ী চট্টরাজ