Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৪ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

Siddharth Shukla: শরীরচর্চা নয়, মৃত্যুকে ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেওয়াই ভাল, বললেন অঙ্কুশ এবং বিক্রম

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২১:০৫
সিদ্ধার্থের মৃত্যু নিয়ে কথা বললেন অঙ্কুশ এবং বিক্রম।

সিদ্ধার্থের মৃত্যু নিয়ে কথা বললেন অঙ্কুশ এবং বিক্রম।

কিছু ক্ষণ আগেই মুম্বইয়ের ওশিওয়ারা শ্মশানে দাহ হয়েছে সিদ্ধার্থ শুক্লর দেহ। অস্বাভাবিক কারণে মৃত্যু হয়নি সিদ্ধার্থের। এমনই জানা গিয়েছে তাঁর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে। কিন্তু তরুণ অভিনেতার আকস্মিক মৃত্যুর কারণ হিসেবে অতিরিক্ত শরীরচর্চাকে চিহ্নিত করছেন এক দল মানুষ। কিন্তু সত্যিই কি জিমে ঘাম ঝরালে অকাল মৃত্যু হওয়া সম্ভব?

বলিউডের সিদ্ধার্থের মতোই শরীরচর্চা করতে ভালবাসেন টলিউডের বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। তাঁর ইনস্টাগ্রামের দেওয়াল জুড়েও রয়েছে কসরতের নানা ছবি, ভিডিয়ো। বিক্রম মনে করেন, ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে সুগঠিত চেহারা থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই টালিগঞ্জ হোক বা মুম্বই, প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে অনেকেই পেশিবহুল বা মেদহীন ঝরঝরে চেহারা তৈরির দিকে বাড়তি নজর দিয়ে থাকেন। বলিউডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বললেন, “বরুণ ধবন থেকে হৃতিক রোশন, প্রত্যেকেই কিন্তু এই একই কাজ করছেন। চেহারার দিকে নজর দেব না ভাবলেই তো সেটা হয় না। সে রকম মানুষ অবশ্য আছেন, যিনি নিজেকে এমন জায়গায় নিয়ে গিয়েছেন যে তিনি বলতে পারেন, অ্যাবস বা জিরো ফিগার না হলেও কোনও ক্ষতি হবে না আমার।”

Advertisement

কাজের পাশাপাশি তারকাদের উপর থাকা কিছু বাড়তি চাপ নিয়েও ওয়াকিবহাল ‘ডান্স বাংলা ডান্স’-এর সঞ্চালক। সুতরাং ঠিক কী কারণে সিদ্ধার্থের মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি। তাঁর কথায়, “যাঁদের জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ইচ্ছে, তাঁরা প্রত্যেকেই একটা চাপের মধ্যে থাকেন। একজন মানুষের জীবনে কখন কী হচ্ছে, সে কী ভাবছে, সেটা কেউ বলতে পারে না।”

বর্তমান প্রেক্ষাপটে নেটমাধ্যমকে মানসিক চাপ সৃষ্টির অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিক্রম। তিনি বলেন, “নেটমাধ্যমে এখন এত নেতিবাচকতা! বিশেষত তারকাদের ক্ষেত্রে এটা বেশি হয়। কারণ তাঁদের পেশাগত এবং ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে জানা অনেক সহজ। এই ধরনের নেতিবাচকতা কার কী ভাবে ক্ষতি করছে সেটা তো আমরা জানি না।”


সিদ্ধার্থের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছিলেন বিক্রম চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা। তিনি মনে করেন, নিয়ম মেনে খাওয়াদাওয়া এবং শরীরচর্চা করলে কোনও ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। অঙ্কুশও নিজের চেহারা নিয়ে সচেতন। বিক্রমের মতো তিনিও শরীরচর্চা করেন। তাঁর পেশিবহুল চেহারা দেখা গিয়েছে একাধিক ছবিতে। কিন্তু সে রকম চেহারা করার জন্য পর্যাপ্ত শরীরচর্চার বাইরে অন্য কোনও পন্থায় বিশ্বাসী নন তিনি। অঙ্কুশের কথায়, “অনেককে দেখেছি তাড়াতাড়ি ভাল চেহারা তৈরির জন্য নানা ধরনের ওষুধ খান। কিন্তু আমি মনে করি, এই ধরনের কাজ করা একেবারেই উচিত নয়। এই ধরনের ওষুধ খেলে অনেক সময় হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে, শরীরের ক্ষতিও হতে পারে।”

তবে বিক্রমের মতোই অঙ্কুশ শরীরচর্চাকে সিদ্ধার্থের আকস্মিক মৃত্যুর কারণ বলে মানছেন না। তাঁর কথায়, “আমি একজনকে চিনি যিনি নিয়মিত ধূমপান করেন। তাঁর বয়স ৮৫ বা ৮৬ বছর। তিনি এখনও বেঁচে আছেন। অথচ তাঁর ছেলে কোনও নেশা না করেও হৃদ্‌রোগে মারা গেলেন। কার সঙ্গে কী হয়, তা বলা মুশকিল। মৃত্যুকে ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেওয়াই ভাল।”

আরও পড়ুন

Advertisement