নব্বই দশকে তখন তিনি সুপারস্টার। ‘রাজাবাবু’, ‘আঁখে’, ‘হিরো নম্বর ১’, ‘পার্টনার’— একের পর এক ছবিতে তাঁর নাচ, কৌতুক মেশানো সংলাপ, মুখভঙ্গিমা, রংবাহারি পোশাক তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা বাড়িয়েছে। আজও বহু দর্শকের পছন্দের তালিকায় অভিনেতা। ইদানীং বিভিন্ন প্রযোজক, পরিচালকের থেকে নানা কটু কথা শুনতে হচ্ছে সেই গোবিন্দকে! বহু প্রযোজক-পরিচালকের কথায়, তিনি নাকি ‘অপেশাদার’। এ বার রাখি সবন্ত তাঁর সঙ্গে গোবিন্দের সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা শোনালেন। রাখির মুখের উপর নাকি ঢেঁকুর তুলেছিলেন অভিনেতা!
তখন ইন্ডাস্ট্রিতে নবাগত রাখি। তাঁর একটি মিউজ়িক ভিডিয়ো সবে হিট করেছে। অভিনেত্রী হওয়ার ইচ্ছে ছিল। নাচতে পারতেন। সেই কারণে আইটেম নম্বরের প্রস্তাব পেতে শুরু করেন রাখি। ২০০০ সালে মুক্তি পায় গোবিন্দ-টুইঙ্কল খন্না অভিনীত ছবি ‘জরু কা গুলাম’। এই ছবিতে একটি ‘আইটেম নম্বর’ করেন রাখি। গানটি ছিল ‘খুলা হ্যায় মেরা পিঞ্জরা’। সেই গানের শুটিংয়ের কল টাইম ছিল একেবারে সকালে। রাখি সকাল ৬টা থেকে বসেছিলেন নায়কের অপেক্ষায়। গোবিন্দ সেটে ঢোকেন অনেকটা দেরিতে। রাখির কথায়, ‘‘আমি গোবিন্দের অনুরাগী ছিলাম। উনি সেটে ঢুকতেই সেটে গিয়ে অভিবাদন জানাতে গেলাম। উনি বিকট শব্দ করে মুখের উপর ঢেঁকুর তোলেন, তারপর বেরিয়ে যান। আমার মনে হল, সকালে হয়তো এমন কিছু খেয়েছিলেন যার ফলে এমনটা হয়েছিল।’’ যদিও অনেকের কাছে অপমানজনক এই ঘটনা। তবু রাখি জানান, তিনি মনে কোনও খারাপ লাগা পুষে রাখেননি গোবিন্দের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন:
এই মুহূর্তে বয়স হয়েছে, হাতে কাজ কমেছে গোবিন্দের। অনেকেই ‘অপেশাদার’ বলে অভিযোগ এনেছেন তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও এ সব অভিযোগকে ষড়যন্ত্র বলে উড়িয়ে দিয়েছেন গোবিন্দ।