‘হ্যারি পটার’-এর মতো জনপ্রিয় ফিল্ম সিরিজ়ে অভিনয়ের দৌলতে সিনেপ্রেমীদের কাছে পরিচিত মুখ ড্যানিয়েল র্যাডক্লিফ। কিশোর বয়সেই জগৎজোড়া খ্যাতি পেয়ে যান ড্যানিয়েল। অর্থও তখন ভরপুর তাঁর হাতে। অল্প বয়সেই পর্দার ‘হ্যারি পটার’ হয়ে ওঠেন মাদকাসক্ত। ঘন ঘন ধূমপান করতেন, নেশায় বুঁদ হয়ে থাকতেন। সেই অবস্থা থেকে বেরিয়েছেন তিনি। এ বার শিশুশিল্পীদের ‘থেরাপি’ নিয়ে সরব ড্যানিয়েল।
আরও পড়ুন:
ড্যানিয়েলের বয়স যখন ১৮ বছর, তখন থেকেই মদে ডুবে থাকতেন তিনি। এর জন্য অবশ্য অল্প বয়সে পাওয়া জনপ্রিয়তাকে দায়ী করেন ড্যানিয়েল। তাঁর কথায়, ‘‘ছোট বয়সে যে জনপ্রিয়তা পেয়েছি, তা মনে প্রভাব ফেলে। সকলের কাছে আরও জনপ্রিয় ও পছন্দের অভিনেতা হয়ে ওঠার প্রত্যাশা থেকেই মদ্যপান ও ধূমপান শুরু করি। কিন্তু হিতে বিপরীত হয়। এই সবকিছু আমার স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। ২০১০ সাল নাগাদ শরীরে আজব রকমের নানা পরিবর্তন লক্ষ করি। ধীরে ধীরে সমস্ত নেশা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে শুরু করি। কিন্তু, ২০১২ সালে ফের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ি।’’
দ্বিতীয় বার নেশাগ্রস্ত হতেই শরীরে কষ্ট অনুভব করতে শুরু করেন অভিনেতা। তখন থেকে শরীরচর্চায় জোর দেন ড্যানিয়েল। পাশপাশি মদ, তামাক ও কফি বর্জন করেন। এর পর থেকে নিজের মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ করতে শুরু করেন তিনি। এর পরবর্তী সময়ে সিনেমার সেটে শিশুশিল্পীদের ‘থেরাপি’-এর প্রয়োজনীয়তা নিয়েও সরব হন। যদিও ড্যানিয়েল জানান, তিনি ভাল সহকর্মী ও পরিবার পেয়েছেন। তাঁরা সর্বদা অভিনেতাকে মনোবল জুগিয়েছে ও সঠিক পথে চালিত করেছে।