দুই অভিনেত্রীই দীর্ঘাঙ্গী। দু’জনের ব্যক্তিত্বেও মিল রয়েছে বলে মনে করেন অনুরাগীরা। বিশেষত ‘ককটেল ২’-তে কাজ করার পর থেকে আরও বেশি করে তুলনা হচ্ছে দীপিকা পাড়ুকোন ও কৃতি সেননের মধ্যে। সেই তুলনা নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন কৃতি। পাশাপাশি ‘ককটেল ২’ নিয়েও কথা বললেন।
২০১২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ককটেল’ ছবিতে দীপিকা পাড়ুকোনের অভিনীত ‘ভেরোনিকা’ চরিত্রটি ছিল ব্যাপক ভাবে আলোচিত। অনেক অভিনেতাই নাকি দীপিকার বিপরীতে কাজ করতে রাজি হননি। কারণ, তাঁরা ভয় পেয়েছিলেন যে, দীপিকার অভিনয়ের সামনে তাঁদের চরিত্র চাপা পড়ে যাবে। এতটাই শক্তিশালী ছিল সেই চরিত্র। এ বার ‘ককটেল ২’-তে কৃতি অভিনয় করেছেন ‘অ্যালি’ চরিত্রে। এই চরিত্রও ‘ভেরোনিকা’র মতোই। সেও স্বাধীনচেতা, একটু বেপরোয়া, নিয়ম ভাঙতে ভালবাসে, আবার ভিতরে আবেগ লুকিয়ে রাখতেও জানে। তাই দুই নায়িকার মধ্যেও হয়েছে তুলনা। তবে এই তুলনা যে হবে, তা জানতেন কৃতি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কৃতি জানান, দীপিকার সঙ্গে তুলনা আসবে, এটা তিনি আগে থেকেই বুঝেছিলেন। তবে তা সত্ত্বেও সেরা অভিনয় করে নিজের চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলতে হবে। এই প্রসঙ্গে কৃতি বলেন, “চরিত্রগুলোর মধ্যে কিছুটা মিল আছে— দু’টিই একটু অন্য রকম, স্বাধীনচেতা এবং নিয়মের বাইরে চলা। কিন্তু অ্যালি আর ভেরোনিকা সম্পূর্ণ আলাদা।” তিনি আরও বলেন, “দীপিকা যে চরিত্রটি আগে করে গিয়েছেন, আমি কেন সেটাই আবার করব? সেটার কোনও মানে হয় না। ‘ককটেল ২’-এর গল্প, চরিত্র এবং সমস্যাগুলো একেবারেই আলাদা। অ্যালির নিজের একটা আলাদা ব্যক্তিত্ব রয়েছে। কোথাও কোথাও মিল থাকলেও, সে ভেরোনিকার মতো নয়। তারা সম্পূর্ণ আলাদা মানুষ।”
আরও পড়ুন:
অন্য অভিনেত্রীদের সঙ্গে বারবার তুলনা করা নিয়ে কৃতি জানান, তিনি এ সব নিয়ে বেশি ভাবেন না। তাঁর মতে, নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস থাকলে এই ধরনের তুলনা কোনও গুরুত্ব রাখে না। কৃতির কথায়, “নিজের উপর বিশ্বাস থাকলে এ সব বিষয় কোনও ব্যাপারই না। এগুলো অনেক সময়ে শুধু আলোচনার বিষয় তৈরি করার জন্য বলা হয়। প্রত্যেক অভিনেত্রী নিজের মতো করে ভিন্ন।”
দীপিকার সঙ্গে তুলনা হলেও, তিনি নিজেকেই নিজের প্রতিযোগী হিসাবে দেখেন। তাই ভবিষ্যতে আরও ভাল চরিত্রে অভিনয় করতে চান তিনি।