দিনে আট ঘণ্টার বেশি কাজ করবেন না, মা হওয়ার পরে শর্ত দিয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন। তার পর থেকে একাধিক কাজ হারিয়েছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে বলিউডের অনেকেই মত প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি কুণাল খেমুও মন্তব্য করেছেন। কুণালের মন্তব্য শুনে অনেকেই তাঁকে ‘নারীবিদ্বেষী’ বলছেন।
কুণালের বক্তব্য, ভাল করে পরিকল্পনা করে তবেই মা হওয়া উচিত। না হলে কাজের উপর প্রভাব পড়বে। এই মন্তব্যের জন্যই কটাক্ষের শিকার ‘কলিযুগ’ অভিনেতা। স্ত্রী সোহা আলি খানের পডকাস্টেই আট ঘণ্টার কাজ নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। কুণাল বলেন, “তুমি দু’ঘণ্টা কাজ করতে চাইছ। তুমি জানো, এই ভাবে কাজ করলে, তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ হবে না। উপরন্তু প্রযোজনার খরচ বেশি হবে এবং আমার অর্থ অপচয় হবে।” কুণালের বক্তব্য, নিজে প্রযোজনা করার ক্ষমতায় পৌঁছোলে, তাও এমন দাবি করা যায়। তাঁর কথায়, “তুমি বলবে, ‘আমাকে কাজ দাও’। তার পরে তুমিই বলে দেবে, আমি তোমাকে কী ভাবে পারিশ্রমিক দেব। এটা হয় না।”
আরও পড়ুন:
এখানেই শেষ নয়। সোহা মা হওয়ার প্রসঙ্গ তুলতেই কুণাল বলেন, “সিদ্ধান্ত তো নিজের হাতেই থাকে। নয় মাসের ইনকিউবেশন পিরিয়ড থাকে। তাই পরিকল্পনা করে নেওয়ার সুযোগ থাকে। মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছ, তাই পরিকল্পনা তো করতেই হবে। দুর্ঘটনাবশত মা হয়ে পড়লে, সেটা অন্য বিষয়। তা ছাড়া তো পরিকল্পনা করেই করতে হবে। মহিলা ও পুরুষ উভয়কেই।”
কুণালের এই মন্তব্য শুনেই দীপিকার অনুরাগীরা চটেছেন। তাঁদের বক্তব্য, “নিজে সন্তানের বাবা হয়ে এমন মন্তব্য করেন কী ভাবে? পুরুষতন্ত্র ও নারীবিদ্বেষ রন্ধ্রে রন্ধ্রে।” আর এক নেটাগরিকের মন্তব্য, “অজয় দেবগন রবিবার কাজ করেন না। অক্ষয় কুমারও আট ঘণ্টার বেশি কাজ করেন না। গোবিন্দ সব সময় ৭-৮ ঘণ্টা দেরিতে এসে পৌঁছোন। কই, ওঁদের নিয়ে তো সমস্যা হয় না! মহিলাদের নিয়েই যত আপত্তি। কুণাল যে একেবারেই প্রগতিশীল নয়, তা বোঝাই যায়।”