×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৬ মে ২০২১ ই-পেপার

অতিমারির বাড়বাড়ন্ত, জরুরি ফোনের তালিকা দিলেন মিমি, চিন্তিত অর্পিতা-বিদীপ্তা-বিক্রম

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ১৯ এপ্রিল ২০২১ ১১:১২
মিমি, অর্পিতা, বিদীপ্তা আর বিক্রম।

মিমি, অর্পিতা, বিদীপ্তা আর বিক্রম।
ছবি: ফেসবুক

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ ইতিমধ্যেই উল্টে পাল্টে দিয়েছে যাবতীয় হিসেব নিকেশ। দেশে দৈনিক আক্রান্ত আড়াই লক্ষ ছাড়িয়ে বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮১০ জন। যা রবিবারের থেকে প্রায় ১২ হাজার বেশি।

বাংলাতেও বহু মানুষ সংক্রমিত। তার পরেও কী অদ্ভুত ঔদাসীন্য মানুষের মনে! এখনও অনেকে মাস্ক ছাড়াই পথে ঘাটে ঘুরছেন। কেউ কেউ থুতনিতে মাস্ক ঝুলিয়ে রেখেছেন। রাস্তায়, বাসে-ট্রামে জনজোয়ার। এ সব নিয়েই উদ্বিগ্ন টলিউড নক্ষত্রেরা। কী বলছেন তাঁরা?

Advertisement

শনিবার পোষ্য সন্তান চিকুকে হারিয়েছেন অভিনেত্রী, সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। সেই শোক নিয়েই তিনি উদ্বিগ্ন রাজ্যবাসীর জন্য। নেটমাধ্যমে শেয়ার করেছেন চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি হেল্পলাইন নম্বর। সাংসদ তারকার পরামর্শ, ‘অতি দ্রুত কোভিড বাড়ছে। তাই কিছু হেল্পলাইন নম্বর এবং রেমডেসিভির ইঞ্জেকশনের খরচের চার্ট জানালাম। আশা, দুঃস্থরা উপকৃত হবেন’। তিনি তাঁর সমস্ত ফ্যান ক্লাবগুলিকে এই নম্বর এবং ইনজেকশনের চার্ট নেটমাধ্যমে শেয়ার করার অনুরোধ জানিয়েছেন। বাড়ির বাইরে পা রাখার সময় মাস্ক পরার কথাও মনে করিয়ে দিতে ভোলেননি।


দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন বিক্রম চট্টোপাধ্যায়ও। ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখছেন, ‘ক্রমশ অবস্থার অবনতি হচ্ছে। আশা করি, এটা সবাই বুঝতে পারছেন। হাসপাতালে বেড, অক্সিজেন, ভেন্টিলেটরের প্রাদুর্ভাব। দেশে টিকার অভাব ঘটছে। গত বছরের থেকেও পরিস্থিতি ভয়াবহ’। বিক্রমের তাই একান্ত অনুরোধ, এখনও সজাগ না হলে মানব জাতি অস্তিত্ত্ব সংকটে ভুগবে।


সবাই অতিমারির আতঙ্কে সিঁটিয়ে। তাই দুশ্চিন্তার পাশাপাশি আশার কথা শুনিয়েছেন অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়, বিদীপ্তা চক্রবর্তী। পুরনো মাস্কহীন ছবি শেয়ার করে অর্পিতার আফসোস, ‘পুরনো সেই দিনের ছবি। যখন আমাদের মাস্কের প্রয়োজন পড়ত না’। তার পরেই তাঁর আশ্বাস, নিশ্চয়ই খুব শিগগিরি সেই দিন ফিরে আসবে। মাস্ক পরার কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনিও। পরিচালক স্বামী বিরসা দাশগুপ্তের সঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার পুরনো ছবি ভাগ করে নিয়েছেন বিদীপ্তা। ক্যাপশনে ফুটে উঠেছে ইতিবাচক ভাবনা, ‘পৃথিবী সেরে উঠুক। আবার আমরা বেড়াতে যাই...’।

Advertisement