স্পষ্টবাদী ভাবমূর্তি তাঁর। অভিনয়ে সেই ভাবে সাড়া ফেলতে না পারলেও, খবরের শিরোনামে বার বার উঠে এসেছেন তিনি। কিন্তু তাও বিতর্ক ও কটাক্ষ পিছু ছাড়ে না নেহা ধূপিয়ার। এখনও কোনও বিষয় নিয়ে মন্তব্য করলেই সমাজমাধ্যমে উড়ে আসে কটাক্ষ। নিজের কর্মজীবনের প্রথম দিকে হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন অভিনেত্রী। অবস্থা এমন হয় যে, ১০ বছর নাকি হাসতে পারতেন না নেহা!
আরও পড়ুন:
অভিনেত্রী প্রায় ২০ বছরের বেশি সময় ইন্ডাস্ট্রিতে কাটিয়ে দিয়েছেন। তার পরেও একটা সময়ে এসেছিল, যখন ছয় বছর তাঁর হাতে কোনও কাজ ছিল না। সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় জয়ী হন। তার পরেও হিন্দি সিনেমায় সুযোগ যে খুব মসৃণ ভাবে পেয়েছেন, তেমন নয়। অজয় দেবগনের বিপরীতে ‘জুলি’ ছবির মাধ্যমে হিন্দি সিনেমায় আত্মপ্রকাশ করেন নেহা। শুরু দিকে একাধিক সিনেমার জন্য অডিশন দিতে হয়েছে। তবে কাজ পাননি। কারণ নাকি তাঁর হাসি। নেহা জানান, এক ‘কাস্টিং ডিরেক্টর’ জানিয়েই দেন যে, তাঁর হাসিটা নাকি অত্যন্ত কুৎসিত এবং বড্ড চওড়া। নেহা জানান, কেরিয়ারের শুরুতেই এমন সমলোচনা তাঁর মনোবল ভেঙে দিয়েছিল। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে শুরু করেন তিনি।
নেহার কথায়, ‘‘একজন কাস্টিং ডিরেক্টর আমাকে বলেনা, ‘একদম হাসবে না! তোমার হাসিটা বড্ড চওড়া।’ প্রায় ১০ বছর কোনও অডিশনে হোক কিংবা কোন ছবিতে— আমাকে কেউ হাসতে দেখেননি। আমার মনে হত আমার হাসিটা কুৎসিত।’’ একটা লম্বা সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরে নিজের আত্মবিশ্বাস ফিরে পান নেহা। তাঁর সংস্থা এই মুহূর্তে সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে, অর্থাৎ এক কথায় তাঁদের ‘গ্রুমিং’ করে।