রবিবার সন্ধ্যায় হঠাৎই মেলে দুঃসংবাদ। দিঘায় ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়েছিলেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই অঘটন। আকস্মিক ভাবে মৃত্যু হয় অভিনেতার। শোকস্তব্ধ টলিপাড়া। সোমবার কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে তাঁর দেহের ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল রবিবারই। এখন পরিস্থিতি ঠিক কী?
আর্টিস্ট ফোরাম সূত্রে খবর, সোমবার সকাল ৮টায় ময়নাতদন্ত শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, ৯টা বেজে যাওয়ার পরেও নাকি তা শুরু হয়নি। দিঘা থেকে কলকাতার বিজয়গড়ে রাহুলের বাড়ি পর্যন্ত অভিনেতার মরদেহ নিয়ে আসার দায়িত্ব নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুর্ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম।
রাহুলের অকালপ্রয়াণে শোকাহত মুখ্যমন্ত্রী রবিবার সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘কী করে যে কী হয়ে গেল, আমি কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। সে আমার খুব পছন্দের অভিনেতা ও মানুষ ছিল।’’ অভিনেতার পরিবার, পরিজন ও অগণিত অনুরাগীদের প্রতি তিনি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন সেই পোস্টেই। বাংলা ছবির জগতে রাহুলের অবদান যে ভুলে যাওয়ার মতো নয়, সে কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘‘রাহুলের এই হঠাৎ চলে যাওয়া বাংলার অভিনয় জগতের জন্য, টলিউড ও টেলিউডের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।’’
আরও পড়ুন:
রবিবার দুঃসংবাদ পেয়েই শাশুড়িমায়ের কাছে ছুটেছিলেন রাহুলের স্ত্রী, অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার। কিছু ক্ষণ থেকে চলে যান ছেলে সহজের কাছে। ছেলেকে সামলে ফের রাতে শাশুড়িমায়ের কাছে আসেন অভিনেত্রী। আপাতত সোমবার দুপুরের অপেক্ষায় বিজয়গড়। শোনা যাচ্ছে, দুপুরেই বাড়ি ফেরানো হবে অভিনেতার দেহ।
(এই প্রতিবেদনটি প্রথম প্রকাশের সময় ‘অকুস্থলে গেলেন মুখ্যসচিব’ লেখা হয়েছিল। বস্তুত, ঘটনাস্থলে গিয়েছেন স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। এই অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির জন্য আমরা দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।)