কর্মজীবন হোক বা ব্যক্তিগত জীবন, বহু ভুল করেছেন বলে মনে করেন রণধীর কপূর। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের নানা খারাপ দিকের কথা স্বীকার করে নিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। কোনও রাখঢাক ছাড়াই জানালেন, কর্মজীবনকে কখনওই তিনি সেই ভাবে গুরুত্ব দেননি।
কর্মজীবনে উন্নতি করতে না পারা, দাম্পত্যে সমস্যা— সব কিছুর জন্য নিজেকেই দায়ী বলে মনে করেন রণধীর কপূর। তাঁর কথায়, “যা যা ঘটেছিল, তার দায় আমার। আজও ববিতা আমার স্ত্রী। ভবিষ্যতেও তা-ই থাকবেন। আজও করিশ্মা ও করিনা আমার কন্যা। আমি তো মানুষ। আমারও তাই ভুল হয়। ভবিষ্যতে যাতে ভুল না হয়, তা নিয়ে আমি কাজ করছি।”
নিজের প্রথম ছবির অভিনেত্রী ববিতাকে বিয়ে করেছিলেন রণধীর। তার পরেও তাঁর সঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। অন্য অভিনেত্রীরা তাঁকে স্রেফ বন্ধু হিসাবে দেখতেন। রণধীরের কথায়, “আমার নায়িকারা আমার বন্ধু হয়ে গিয়েছিল। ওরা আমাকে কেউ গুরুত্বই দিত না। আমার কাঁধ ছিল ওদের কাঁদার জায়গা। ববিতাও আমার নায়িকাদের বন্ধু ছিল।”
আরও পড়ুন:
কেন চিড় ধরেছিল ববিতার সঙ্গে সম্পর্কে? এই প্রসঙ্গে রণধীর বলেছিলেন, “ও বুঝতে পেরেছিল, আমি সাংঘাতিক একজন পুরুষ। প্রচুর মদ্যপান করতাম, দেরিতে বাড়ি ফিরতাম। এটা ববিতার পছন্দ ছিল না। আবার ও যা চাইত, সেটা আমার পছন্দ ছিল না। অথচ, আমরা প্রেম করেই বিয়ে করেছিলাম। তবে ভাল বিষয় হল, আমাদের অসাধারণ দুই সন্তান রয়েছে। ববিতা খুব সুন্দর ভাবে ওদের বড় করেছে। কর্মক্ষেত্রেও ওরা অসাধারণ। বাবা হিসাবে আর কীই বা চাইতে পারি!”
রণধীর জানান, তাঁর দায়িত্ববোধ তেমন ভাল ছিল না। অলস ছিলেন এবং কাজের প্রতি তেমন মন ছিল না। স্ত্রীর সঙ্গে থাকেন না রণধীর। তবে তাঁদের আইনি বিচ্ছেদ হয়নি।