ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন থেকে পত্রলেখা— মা হওয়ার পরে বলিপাড়ার অভিনেত্রীদের অনেক বারই কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে। সদ্য মা হয়েছেন পত্রলেখা। চেহারার গড়নও বদলেছে। অদ্ভুত ভাবে এটা নিয়ে নানা নেতিবাচক মন্তব্য শুনতে হয়েছে। এ সব শুনে নিজের বিরক্তি উগরে দিয়েছেন পত্রলেখা। টলিউডেও নানা সময়ে শিল্পীদের এই ধরনের নেতিবাচক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। এই ঘটনায় কী মত পায়েল দে, সুদীপ মুখোপাধ্যায় এবং রূপসা চট্টোপাধ্যায়দের।
সদ্য পাঁচ বছরে পা দিল পায়েলের ছেলে। এই ধরনের ভাবনা-চিন্তা জায়গা তৈরি হওয়ার মূল জায়গা হল সমাজমাধ্যম। পায়েল বললেন, “আমার সন্তানের জন্যে আমি কী করব না করব, আমার চেহারার গড়ন বদলাবে কি বদলাবে না সেটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত। এখানে কারও কোনও মতই আমি শুনব না। আর বয়স বাড়লে তো এমনিই চেহারার পরিবর্তন আসবে।” অন্তঃসত্ত্বাকালীন সময়ে প্রায় ২০ কেজি ওজন বেড়ে গিয়েছিল তাঁর। যা কোনও ভাবেই প্রভাব ফেলেনি অভিনেত্রীর জীবনে।
আরও পড়ুন:
এই ধরনের ভাবনা খুবই নিম্নরুচির পরিচয় বলে মনে করেন অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়। তিনি নিজে দুই সন্তানের বাবা। অভিনেতা বললেন, “এই যে ট্রোলিং করেন যাঁরা, তাঁরা নিজেদের খুব স্মার্ট ভাবেন। এ দিকে একটা বানান ঠিক করে লিখতে পারেন না। নিশ্চয়ই ব্যক্তিগত জীবনে খুব সমস্যা আছে। তাই এই ধরনের মন্তব্য করেন।” সুদীপের মতে, এই ধরনের মানুষদের গুরুত্ব দেওয়া মানে নোংরা ঘাঁটা। কারণ, তাঁদের কোনও যোগ্যতাই নেই।
অভিনেত্রী রূপসাও সদ্য মা হয়েছেন। ছেলে হওয়ার কয়েক মাস পরেই ফ্লোরে ফেরেন রূপসা। এখন ‘পরিণীতা’ ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী। তিনি বললেন, “এইগুলো কখনও ভাবনার বিষয় হতে পারে! সত্যিই বিরক্ত লাগে ভাবলে।” তিনি নিজে কখনও গুরুত্ব দেননি এই ধরনের মন্তব্যে। অভিনেত্রী যোগ করেন, “সবার চেহারার গড়ন সমান হয় না। আর আমার বিয়ে যে সময়ে হয়েছে, সঙ্গে ছেলে হয়েছে এমন সময়ে এত কিছু ভাবার জায়গা ছিল না।” তবে রূপসার মতে, এখনও অনুরাগীরা যদি ওজন বৃদ্ধি নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করে, তা পড়লে মনে হয়, দিনে দিনে মানুষ পিছিয়ে পড়ছে, এগোচ্ছে না।