পরিচালক সুদেষ্ণা রায়-অভিজিৎ গুহ। তাঁদের ঝুলিতে ‘ক্রস কানেকশন’, ‘বাপি বাড়ি যা’, ‘তিন ইয়ারি কথা’, ‘বেঁচে থাকার গান’, ‘শ্রাবণের ধারার মতো’র মতো ছবি। বাণী বসুর গল্প নিয়ে জুটির ছবি ‘আপিস’ গত কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত।
অথচ পরিচালকজুটির অন্যতম অভিজিৎকে পরিচালনার থেকেও অভিনয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। যেমন, এই মুহূর্তে তিনি সুশান্ত দাসের ধারাবাহিক ‘কম্পাস’-এ অতিথি চরিত্রে অভিনয় করছেন। একই ভাবে তাঁকে দেখা যাচ্ছে সান বাংলার ধারাবাহিক ‘ভালবাসা রং রুট’-এ। সেখানে তিনি নারীপাচারকারী!
নানা কারণে এই মুহূর্তে পরিচালনা থেকে দূরে সুদেষ্ণা। সেই কারণেই কি অভিনয়ে বেশি মন অভিজিতের?
জানতে আনন্দবাজার ডট কম যোগাযোগ করেছিল অভিনেতার সঙ্গে। অভিজিৎ বিষয়টি অস্বীকার করেননি। একই ভাবে অস্বীকার করেননি উপার্জনের নিশ্চয়তার দিকটিও। কারণ, ধারাবাহিক লম্বা সময় ধরে চললে, উপার্জনের দিকটি নিশ্চিত থাকে। সে সব বক্তব্য মেনে নিয়েই অভিজিৎ বললেন, “এ ছাড়াও আরও একটি কারণ আছে। গত ১০ বছর ধরে দেখছি, পরিচালকেরা আমার অভিনেতাসত্তাকে বেশি পছন্দ করছেন!” রসিকতাও করলেন, “মাথার চুল পড়ে গেল। ভুঁড়ি বাড়ল। পরিচালকেরা দেখি ডেকে ডেকে আমায় চরিত্র দিতে শুরু করলেন।” ফলে, গত ১০ বছর ধরে ছবি, ধারাবাহিক এবং সিরিজ়ে তিনি নিয়মিত অভিনেতা।
আরও পড়ুন:
এ ভাবেই কখনও অভিজিৎ নায়কের খলনায়ক বাবা! কখনও সন্দীপ রায়ের ছবিতে ফেলুদার সহকারী ‘লালমোহন গাঙ্গুলি’ বা ‘জটায়ু’। কখনও কৌতুকাভিনেতা। কখনও পর্দায় প্রেমে হাবুডুবু খেয়ে নায়িকাকে জোর করে বিয়ে করতে চাইছেন! ‘দুপুর ঠাকুরপো’ সিরিজ়ে তাঁর আর স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের রসায়ন টলিউডে শোরগোল ফেলে দিয়েছিল। পরিচালকদের না হয় তাঁর অভিনেতাসত্তা বেশি পছন্দ, তিনি নিজেকে কোন ভূমিকায় বেশি দেখতে চান? অভিজিতের কথায়, “পরিচালনা দিয়ে শুরু। পাশাপাশি, অন্য অনেক কিছু করেছি। কিন্তু অভিনয় করতে পারি, সেটাই জানতাম না। এখন যখন পরিচালকেরা বিভিন্ন চরিত্র দেন, তখন অভিনয় করতে মন্দ লাগে না।”