ওজন কমানোর ডায়েট মানেই যে সব প্রিয় খাবার বিসর্জন দিতে হবে, তা কিন্তু নয়। তবে সাধারণ দোকানের শিঙাড়া আপনার ওজন কমানোর যাত্রায় বড় বাধা হতে পারে। একটি মাঝারি মাপের ভাজা শিঙাড়ায় প্রায় ২৫০-৩০০ ক্যালরি থাকে, যার বেশিরভাগটাই আসে ডালডা বা পাম অয়েল এবং রিফাইনড ময়দা থেকে। তবে কিছু ছোট বদল আনলে ডায়েটে থেকেও শিঙাড়ার স্বাদ নিতে পারেন—
১. ময়দার বদলে অন্য কিছু
দোকানের শিঙাড়া তৈরি হয় ময়দা দিয়ে, যা দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। বাড়িতে বানানোর সময় বাইরের আবরণটি আটা বা ওটস-এর গুঁড়ো দিয়ে তৈরি করুন। এতে ফাইবার বেশি থাকবে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখবে।
২. ভাজার ধরন বদলান
শিঙাড়ার আসল ক্যালরি আসে ওটা ভাজার তেল থেকে। আপনি যদি ওভেনে বেক করেন অথবা এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করেন, তবে তেলের ব্যবহার প্রায় ৯০শতাংশ কমে যাবে। এতে স্বাদে খুব একটা হেরফের না হলেও ক্যালরি অনেক কমে আসবে।
৩. আলুর বদলে পুর বদল
শিঙাড়ার ভেতরে সাধারণত আলু থাকে । আলুর পরিমাণ কমিয়ে সেখানে ফুলকপি, মটরশুঁটি, গাজর বা পনিরের পুর ব্যবহার করুন। আরও ভালো হয় যদি চিকেন কিমা বা সয়াবিন ব্যবহার করেন, যা আপনার প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করবে।
৪. স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
দোকানে শিঙাড়া মুচমুচে করতে প্রচুর ডালডা বা বনস্পতি ব্যবহার করা হয়, যা হার্টের জন্য ক্ষতিকর। বাড়িতে তৈরির সময় সামান্য অলিভ অয়েল বা ঘি ব্যবহার করুন। ঘি ব্যবহার করলে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকলেও তা ডালডার চেয়ে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।
৫. পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ
আপনি যতই স্বাস্থ্যকরভাবে বানান না কেন, একবারে ৪-৫টি খেয়ে ফেললে ওজন বাড়বে। বিকেলের নাস্তায় একটি বা বড়জোড় দুটি শিঙাড়া খান। সাথে চিনি ছাড়া গ্রিন টি বা টক দইয়ের চাটনি রাখতে পারেন যা হজমে সাহায্য করবে।