Advertisement
E-Paper

ছোট ছোট কদমে বড় বদল, রোজের রুটিনের সামান্য ওলটপালটেই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে উঠবে

এমন কিছু সামান্য বদল, যেগুলি প্রথমে তেমন গুরুত্ব পায় না, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেগুলিই জীবনযাত্রার ছন্দকে বদলে দেয় সম্পূর্ণ ভাবে। কী কী স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলবেন?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৬ ১৬:৪৭
কী কী স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলবেন?

কী কী স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলবেন? ছবি: সংগৃহীত।

যাপনের স্বাস্থ্যকর রুটিন তৈরি করতে গেলে আমূল পরিবর্তন দরকার— এই ধারণা সব ক্ষেত্রে সত্য নয়। রূপান্তর ঘটে নিঃশব্দে, ছোট ছোট অভ্যাসের ভিতর দিয়ে। এমন কিছু সামান্য বদল, যেগুলি প্রথমে তেমন গুরুত্ব পায় না, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেগুলিই জীবনযাত্রার ছন্দকে বদলে দেয় সম্পূর্ণ ভাবে। এই ‘ছোট বদল, বড় ফলাফল’-এর দর্শনই আজ প্রকৃত স্বাস্থ্যসচেতনদের মূল কথা। কারণ এক ধাক্কায় সব কিছু পাল্টাতে গেলে তা বেশি দিন স্থায়ী হয় না। বরং ধীরে, স্থির ভাবে অভ্যাস গড়ে তোলাই সুস্থ জীবনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পথ।

কী কী স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা যায়?

১. প্রথমেই নিজের প্রতি সচেতনতা বাড়াতে হবে। প্রতি দিনের ছোট ছোট সিদ্ধান্ত— কখন ঘুম থেকে উঠছেন, কী খাচ্ছেন, কত ক্ষণ ব্যায়াম করছেন বা শরীরকে সক্রিয় রাখছেন, এ সবই অজান্তে শরীর ও মনের উপর প্রভাব ফেলছে। তাই বড় লক্ষ্য স্থির করার আগে, প্রতি দিনের অভ্যাসগুলিকে একটু একটু করে গুছিয়ে নেওয়াই বেশি জরুরি।

কী ভাবে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলবেন?

কী ভাবে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলবেন? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

২. প্রতি বার খাওয়ার সময়ে খাবারে যেন প্রোটিন থাকে, সে দিকে নজর দিতে হবে। এমনকি, সন্ধ্যার স্ন্যাক্‌সের সময়েও পাতে বা গ্লাসে প্রোটিনের উৎস রাখুন। ডিম, দুধ, দই, পনির, ডাল, বাদাম ও বীজ খেতে হবে নিয়ম মেনে। পেশির স্বাস্থ্যরক্ষা থেকে শুরু করে পেট ভর্তি রাখা, নানা কাজে প্রোটিন অপরিহার্য।

৩. শরীরচর্চাকে সহজ করে দেখতে ও শিখতে হবে। ফিট থাকতে গেলে কঠোর অনুশীলনই একমাত্র পথ, এমন ভাবতে গিয়েই অনেকে ব্যায়াম থেকে দূরে থাকেন। বরং নিয়মিত হাঁটা, হালকা স্ট্রেচিং, খাবার খাওয়ার পর হাঁটাচলা, নিজে হাতে কাজ করাই যথেষ্ট। এই সহজ অভ্যাসগুলিই দীর্ঘ মেয়াদে শরীরকে সুস্থ রাখে।

৪. কার্বোহাইড্রেটকে পুরোপুরি বাদ না দিয়ে কার্বোহাইড্রেটের মান উন্নত করুন। পরিশোধিত দানাশস্যের বদলে গোটা শস্য খাওয়ার চল বাড়াতে হবে। যেমন সাদা পাউরুটির জায়গায় মাল্টিগ্রেন বা সাওয়ারডো খাওয়া শুরু করুন। ভাত-রুটির সঙ্গে সব্জি বেশি করে খেতে হবে। তা হলে রক্তে শর্করার মাত্রা হুট করে বাড়তে পারবে না।

৫. পাতে প্রথমে ফাইবার খাওয়া জরুরি। স্যালাড, সব্জি, তরকারি ইত্যাদি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা চট করে বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা কমে। এর ফলে হজমক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। এই ক্রমে খাবার খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করলে তাতে শরীর ভাল থাকে।

৬. ঘুমের গুরুত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই। ঠিক সময়ে, পর্যাপ্ত ঘুম যেমন ক্লান্তি দূর করে, তেমনই শরীরের ভিতরের নানা প্রক্রিয়াকে সুশৃঙ্খল রাখে। সুস্থ জীবনযাত্রার ছন্দ গড়ে তুলতে ঘুমকে অবহেলা করলে চলবে না।

৭. ৮০-২০ শতাংশের নিয়ম মেনে চললে অঢেল উপকার পাওয়া যায়। সপ্তাহের ৮০ শতাংশ সময়ে ঘরোয়া, পুষ্টিকর, স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। বাইরে বেরিয়ে খাওয়ার জন্য ২০ শতাংশই যথেষ্ট। দীর্ঘ মেয়াদে শরীর ভাল রাখতে হলে সংযমী হতেই হবে। শরীর সুস্থ থাকলে তবেই না ভাল খাবারের স্বাদ পাবেন!

Healthy Living Tips Health Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy