স্পন্ডিলাইটিসের ব্যথা যে কোনও বয়সেই ভোগাতে পারে। দীর্ঘ সময় এক ভাবে বসে থাকলে বা শুয়ে থাকলে ঘাড়ে-পিঠে অসহ্য যন্ত্রণা হয়। স্পন্ডিলাইটিসের অনেক ধরন আছে। এর মধ্যে যন্ত্রণাদায়ক হল অ্যাঙ্কিলোজিং স্পন্ডিলাইটিস। কোমরের হাড়ের প্রদাহ থেকেই মূলত যন্ত্রণা হয়। এই রোগে ঘাড়, বুক আর কোমরের অংশের মেরুদণ্ডের কশেরুকা জুড়ে গিয়ে মেরুদণ্ডের নমনীয়তা একদম কমে যায়। অনেকেই সামনে ঝুঁকতে পারেন না, ঘাড় ঘোরাতে পারেন না। আক্রান্ত হয় হিপ জয়েন্টও। চলতে অসুবিধা হয়। কিন্তু সচল থাকাটা খুব প্রয়োজন। আর সে জন্যই জরুরি যোগাসনের কিছু বিশেষ পদ্ধতি।
জ্যেষ্ঠিকাসন
ম্যাটের উপর উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। পিঠ টানটান থাকবে। কপাল মাটিতে ঠেকিয়ে রাখতে হবে। দুই পা টানটান থাকবে। এ বার ঘাড়ের ঠিক উপরে দুই হাতের আঙুল জড়ো করুন। হাত মুষ্টিবদ্ধ করে রাখতে হবে। দুই হাতের কনুই থাকবে মাটিতে। ধীরে ধীরে মুষ্টিবদ্ধ হাত দিয়ে ঘাড়ে আলতো করে চাপ দিতে হবে। খুব বেশি জোর দেবেন না। এই প্রক্রিয়া টানা করে যেতে হবে যত ক্ষণ পারবেন। টানা ৫ মিনিট করতে পারলে ভাল হয়।
আরও পড়ুন:
মার্জারাসন
প্রথমে মাটিতে দুই পা এবং হাতের উপর ভর দিয়ে বিড়ালের মতো ভঙ্গি করুন। এর পর এক বার পিঠ ফুলিয়ে মাথা নিচু করে শ্বাস নিন, আবার পেট ঢুকিয়ে শ্বাস ছাড়ুন। এই আসন অভ্যাস করুন ৫ বার করে অন্ততপক্ষে ৫ মিনিট।
উষ্ট্রাসন
প্রথমে ম্যাটের উপর হাঁটু মুড়ে বসুন। এ বার পিছনের দিকে খানিকটা হেলে হাত দু’টি দিয়ে গোড়ালি ধরুন। মাথা পিছনের দিকে ঝুলিয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে পেটের অংশটা সামনের দিকে এগিয়ে দিন। ডান হাতের বুড়ো আঙুলটি ডান দিকের গোড়ালির ভিতর দিকে রেখে বাকি সব আঙুল বাইরের দিকে রাখুন। বাঁ দিকের ক্ষেত্রেও একই ভাবে রাখুন। পায়ের পাতা মাটিতে থাকবে। ২০-৩০ সেকেন্ড থেকে আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসুন।