Advertisement
E-Paper

বিশেষ ডায়েট করে ১৮ কেজি ওজন ঝরালেন আমির খান! কী কী খাওয়া বন্ধ করে চটজলদি সুফল পেলেন অভিনেতা?

সিনেমা নিয়ে আমির যেমন খুঁতখুঁতে তেমনই নিজের ফিটনেস নিয়েও ভীষণ সচেতন থাকেন আমির। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেন, তিনি প্রায় ১৮ কেজি ওজন ঝরিয়ে ফেলেছেন। কোন ডায়েটে পেলেন সুফল?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৩৬
অভিনেতা আমির খাান।

অভিনেতা আমির খাান। ছবি: সংগৃহীত।

মার্চ মাসেই ষাট পেরিয়ে একষট্টি বছরে পা দেবেন বলিউড অভিনেতা আমির খান। সিনেমা নিয়ে আমির যেমন খুঁতখুঁতে তেমনই নিজের ফিটনেস নিয়েও ভীষণ সচেতন থাকেন আমির। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেন, তিনি প্রায় ১৮ কেজি ওজন ঝরিয়ে ফেলেছেন। তবে কঠোর শরীরচর্চা করে নয়, অ্যান্টি- ইনফ্লেমেটারি ডায়েট করেই নাকি সুফল পেয়েছেন অভিনেতা।

কী ভাবে ওজন ঝরালেন অভিনেতা?

না, কোনও বিশেষ চরিত্রের প্রয়োজন নয়, হঠাৎ করেই ওজন ঝরিয়ে ফেলেছেন আমির। অভিনেতা বলেন, ‘‘অজান্তেই ওজন ঝরিয়ে ফেলেছি। মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে নিস্তার পেতে আমি অ্যান্টি- ইনফ্লেমেটারি ডায়েট শুরু করি। এই ডায়েট করে আমার মাইগ্রেনের সমস্যা তো কমলই, তার পাশাপাশি আমি ১৮ কেজি ওজনও ঝরিয়ে ফেললাম। ডায়েটি আমার শরীরে ম্যাজিকের মতো কাজ করেছে।’’

অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি ডায়েট কী?

এ প্রশ্নের উত্তর জানার আগে জানতে হবে ইনফ্ল্যামেশন বা প্রদাহ কী। প্রদাহ হল একটি শারীরিক বিক্রিয়া যা শরীরের জন্য যেমন জরুরি, তেমনই অতিমাত্রায় হলে শরীরের নানা ক্ষতিও হতে পারে। পুষ্টিবিদ গুঞ্জন তানেজা খানিক ব্যাখ্যা করে বলছেন, ‘‘রোগের সঙ্গে লড়াই করার যে ক্ষমতা, তার জন্য প্রদাহ জরুরি। আবার সেই প্রদাহই যখন বেড়ে যায়, তখন তা ক্যানসারের মতো জটিল অসুখেরও কারণ হতে পারে।’’ তাই প্রদাহকে নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার। আর অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটারি ডায়েট সেই কাজটিই করে।

এই ধরনের ডায়েটের বিশেষত্ব কী?

পুষ্টিবিদ শিখা সিংহের মতে শরীরে প্রদাহ বাড়লেই শরীরে ফ্যাট জমতে শুরু করে। রোজের ডায়েটে প্রচুর পরিমাণে প্রক্রিয়াজাত খাবার, চিনি এবং অ্যালকোহল রাখলে, ধূমপান করলে, অতিরিক্ত মানসিক চাপে থাকলে, পর্যাপ্ত ঘুম না হলে, শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা থাকলে— শরীরে প্রদাহ হতে পারে। প্রদাহ বাড়লে শরীর সাইটোকাইন নামক একটি প্রদাহজনক রাসায়নিক নিঃসরণ করে যা ইনসুলিন এবং লেপটিনের মতো হরমোনের কার্যকারিতা ব্যাহত করে। এই হরমোনগুলি মূলত রক্তে শর্করার মাত্রা ও ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সম্পর্কিত। সব মিলিয়ে শরীরের আনাচকানাচে মেদ জমতে শুরু করে।

এই ডায়েটে কী কী রাখা যাবে না?

১) অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় যেমন নরম পানীয়, প্যাকেটবন্দি ফলের রস।

২) পলিআনস্যাচুরেড ফ্যাটযুক্ত তেল, যেমন সূর্যমুখীর তেল।

৩) প্রক্রিয়াজাত খাবার, ভাজাভুজি, রাস্তার ধারের মশলাদার খাবার।

৪) ফুল ফ্যাট ডেয়ারি খাবার, যেমন দই, মাখন, চিজ়।

৫) প্রক্রিয়াজাত মাংস যেমন সসেজ়, সালামি, বেকন।

৬) অ্যালকোহলযুক্ত কোনও পানীয়।

৭) পরিশোধিত দানাশস্য যেমন সাদা চাল, ময়দা।

বদলে কী খাওয়া যাাবে?

প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে, এমন খাবার ডায়েটে রাখতে হবে। যেমন তাজা ফলমূল, শাকসব্জি, ডাল, মাছ, বাদাম, দই, ছানা, ওট্স, ব্রাউন রাইস ইত্যাদি। ভারতীয় রান্নাঘরে থাকা বেশ কিছু মশলা, যেমন, হলুদ, আদা, রসুনও কমাতে পারে প্রদাহ।

Weight Loss Tips Diet Tips Weight Loss Diet Plan
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy