Advertisement
E-Paper

ঘড়ি ধরে নয়, সূর্যের গতিবিধি মেনেই খান বিকাশ খন্না! নতুন ডায়েট কী কী বদল এনেছে রন্ধনশিল্পীর জীবনে?

প্রচুর ব্যস্ততা সামলেও ডায়েটে ফাঁকি না দেওয়ার চেষ্টা করেন বিকাশ খন্না। কী ভাবে সুঠাম চেহারা ধরে রেখেছেন তিনি, শারীরিক ধকলই বা কী ভাবে সামলান রন্ধনশিল্পী?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:১৭
নতুন ডায়েটে কী কী নিয়ম মানছেন রন্ধনশিল্পী?

নতুন ডায়েটে কী কী নিয়ম মানছেন রন্ধনশিল্পী? ছবি: সংগৃহীত।

ভারতের রন্ধনশিল্পের জগতে পরিচিত মুখ রন্ধনশিল্পী বিকাশ খন্না। যে সব ভারতীয় শেফের ঝুলিতে রয়েছে ‘মিশেলিন স্টার’-এর তকমা, তাঁদের মধ্যে এক জন বিকাশ। রসনাজগতের এই সম্মান তাঁদের ঝুলিতেই থাকে, মিশেলিন সংস্থার বিচারে যাঁরা নিজেদের সেরা প্রমাণ করেছেন। তাঁর রান্নায় মজেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। সারা দিন খাবারের মধ্যে থাকলেও বিকাশের চেহারা কিন্তু বেশ সুঠাম। এত ব্যস্ততার মধ্যে থেকেও তিনি খুবই ঠান্ডা মেজাজের মানুষ। কী ভাবে সুঠাম চেহারা ধরে রেখেছেন তিনি, শারীরিক ধকলই বা কী ভাবে সামলান রন্ধনশিল্পী?

কাজের সূত্রে কখনও ভারত, আবার কখনও আমেরিকায় থাকেন বিকাশ। সমাজমাধ্যমের একটি পোস্টে তিনি বলেন, ‘‘দুই দেশের সময়ের ফারাক, কাজের চাপ, ঘন ঘন বিমান সফর, শুটিংয়ের ব্যস্ত শিডিউলের জন্য কখনও কখনও বুঝতেই পারি না, কখন সকাল পেরিয়ে রাত হয়ে যায়। সারা দিনের ধকল প্রথমে শরীরকে ক্লান্ত করে, তার পরে মনের উপরেও প্রভাব ফেলতে শুরু করে। কাজে মনোযোগ দেওয়া যায় না, ধৈর্য কমে যায়। আমি বুঝতে পারি, বেশি কাজ করার ফলে নয়, আমার শরীরের ছন্দে ব্যাঘাত ঘটেছে বলেই আমি ক্লান্ত হয়ে পড়ছি।’’

কী ভাবে শারীরিক ধকলকে পিছনে ফেলে চাঙ্গা হয়ে ওঠেন বিকাশ?বিকাশের মতে এই সব সমস্যা থেকে রেহাই পেতে তাঁর নতুন খাদ্যাভ্যাস অনেকটাই সাহায্য করেছে। রন্ধনশিল্পী বলেন, ‘‘ডায়েট হল আমার চালিকাশক্তি। আমি খাবার খেয়ে তৃপ্ত হই না, প্রয়োজনের কথা ভেবে খাবার খাই। সূর্য ওঠার আগে ইষদুষ্ণ জলে চুমুক দিই, খুব সাধারণ খাবার খাই, খাবারে গ্লুটেনের মাত্রা যতটা সম্ভব কম রাখার চেষ্টা করি, চিনি কম খাই, মেপে খাই, মরসুমি শাকসব্জি-ফল ডায়েটে বেশি রাখি আর যতটা সম্ভব তাড়াতাড়ি রাতের খাবার খেয়ে ফেলি। ঘড়ি ধরে নয়, আমি সূর্যের উপর নির্ভর করে খাবার খাই। খাদ্যাভাসে এই পরিবর্তনগুলি আনার পর আমার জীবন অনেকটাই বদলেছে। আমি স্পষ্ট ভাবে ভাবতে পারছি, মানসিক ক্ষেত্রেও অনেক উপকার পেয়েছি।’’

শেফ বিকাশের মতে, শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে নিয়ে আলাদা করে ভাবার কোনও কারণ নেই। দুইয়ের মধ্যে গভীর যোগ আছে। অন্ত্রের সঙ্গে স্মৃতি, মেজাজ এবং শক্তি, সব কিছুই জড়িয়ে। পেট ভাল না থাকলে কিন্তু মেজাজও বিগড়ে থাকে। বিকাশ বলেন, ‘‘ডায়েট মেনে চলা একটি অনুশাসনের ব্যাপার। আমি তা এখনও শিখছি। মাঝেমধ্যেই হেরে যাই। এখন কেবল শরীর চাঙ্গা রাখতে খাই না, মনমেজাজ চাঙ্গা রাখতেও খাই।’’

Diet Tips Vikas Khanna
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy