হার্টের রোগ থাকলে বা অস্ত্রোপচার হলে সব ধরনের ব্যায়াম করা যায় না। তবে শরীর সুস্থ রাখতে ডায়েটের পাশাপাশি ব্যায়ামও জরুরি। বয়স যদি ষাটের বেশি হয়, তা হলে হালকা কিছু যোগাসন ও স্ট্রেচিং করলে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হবে। এতে হার্টও ভাল থাকবে, ওজনও থাকবে নিয়ন্ত্রণে। ষাটোর্ধ্বদের জন্য এমনই কিছু যোগাসন ও স্ট্রেচিংয়ের পদ্ধতি রইল।
তাড়াসন
পায়ের পাতার মধ্যে দুই ইঞ্চি দূরত্ব ম্যাটের উপর সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে। হাত দু’টি দু’পাশ থেকে তুলে, কনুই ভাঁজ করে নিয়ে যান মাথার পিছন দিকে। এ বার দু’হাতের আঙুল একত্রিত করে হাতের তালু রাখতে হবে মাথার পিছন দিকে। শ্বাস নিতে নিতে হাত দু’টি মাথার উপর দিয়ে প্রসারিত করুন। গোড়ালি মাটি থেকে উপর দিকে তুলে ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড থেকে আগের অবস্থানে ফিরে আসতে হবে।
আরও পড়ুন:
উৎকটাসন
দুই পায়ের মধ্যে সামান্য ব্যবধান রেখে প্রথমে ম্যাটের উপর টানটান হয়ে দাঁড়াতে হবে। এর পর হাঁটু ভাঁজ করে কোমর থেকে পিঠ সামনের দিকে সামান্য প্রসারিত করুন। দুই হাত দুই কানের পাশ দিয়ে মাথার উপর তুলতে হবে। মনে মনে কল্পনা করুন, যেন চেয়ারে বসছেন। সেই অদৃশ্য চেয়ারে বসতে গেলে শরীরের ভঙ্গি যেমনটা হওয়া উচিত, তেমনটাই হবে। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে।
চেস্ট ওপেনার স্ট্রেচ
চেয়ারে সোজা হয়ে বসুন। কাঁধ সোজা রেখে দুই হাত পিঠের দিকে নিয়ে যান। এ বার পিঠের দিকে এক হাত দিয়ে অন্য হাত ধরুন। পিঠ টানটান রেখে দুই হাত যতটা সম্ভব পিছনের দিকে টানুন। বুক প্রশস্ত হবে, ওই অবস্থানে ২০-৩০ সেকেন্ড থাকুন। গভীর ভাবে শ্বাস নিতে ও ছাড়তে হবে। ৩০ সেকেন্ড পরে আগের অবস্থানে ফিরে আসুন।
ক্রিসেন্ট মুন পোজ়
এই আসনে প্রথমে ডান হাঁটু ধীরে ধীরে ভাঁজ করে শরীরকে মাটির কাছাকাছি নিয়ে আসতে হবে। ডান পায়ের পাতা থাকবে মাটিতে। শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে বাঁ পা প্রসারিত করতে হবে পিছন দিকে। শ্বাস নিতে নিতে দু’হাত মাথার উপরের দিকে তুলতে হবে। শরীরের উপরিভাগ যতটা সম্ভব হেলিয়ে দিতে হবে পিছনের দিকে। এই অবস্থানে থাকতে হবে ৩০ সেকেন্ড। তার পর অন্য পায়ে একই ভাবে করতে হবে আরও ৩০ সেকেন্ড। শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে হবে স্বাভাবিক ভাবেই।