হাতের মেদ সহজে কমে না। ভুঁড়ি কমলেও অনেক সময়ে হাতের মেদ কমাতে কালঘাম ছুটে যায়। আর হাতে মেদ কমে থাকলে তা দেখতে ভাল লাগে না। পছন্দের পোশাকও পরা যায় না। অনেকেই ভাবেন, হাতের মেদ কমাতে হলে ভারী ওজন তুলতে হবে বা যন্ত্রপাতি নিয়ে ব্যায়াম করতে হবে, তা কিন্তু নয়। ঘরে সহজ পদ্ধতিতেই তা করতে পারেন। এমন কিছু ব্যায়াম ও স্ট্রেচিং আছে, যা অভ্যাস করতে পারলে হাতের গঠন সুন্দর হবে।
হাতের মেদ কমাতে কী কী ব্যায়াম অভ্যাস করবেন?
কাউন্টার পুশ-আপ
হাতের মেদ ঝরানোর উপযুক্ত এই ব্যায়াম। এটি কোনও টেবিলে ভর দিয়ে করতে পারেন। হাত দুটো সোজা করে টেবিলের উপর রেখে পা খানিকটা পিছনে করে নিন। এই সময় খেয়াল রাখবেন, পায়ের চেটোর উপর যেন সারা শরীরের ভরটা থাকে। পিঠ সোজা রেখে কনুই বেঁকিয়ে এ বার পুশ-আপ করতে থাকুন, তার পর আবার শুরুর ভঙ্গিতে ফিরে আসুন।
আরও পড়ুন:
হস্ত গরুড়াসন
পিঠ সোজা রেখে চেয়ারে পা ঝুলিয়ে বসতে হবে। ঝুঁকে বসলে চলবে না। পিঠ যেন টানটান থাকে। চোখ বন্ধ করে দুই হাত কোলের উপর রেখে গভীর ভাবে শ্বাস নিন ও ছাড়ুন। এতে মন স্থির হবে। এ বার দুই হাত সামনে বাড়িয়ে দিন, মেঝের সমান্তরাল ভাবে। ডান হাতের নীচ দিয়ে বাঁ হাতের কনুই পেঁচিয়ে ধরুন। এই অবস্থায়, অর্থাৎ দুই হাত পেঁচানো অবস্থায় কনুই কাঁধের উচ্চতায় তোলার চেষ্টা করুন। এই ভঙ্গিতে ২০ সেকেন্ডের মতো থাকুন। হাত বদলে একই রকম ভাবে বাঁ হাতের নীচ দিয়ে ডান হাতের কনুই পেঁচিয়ে ধরে একই ভাবে আসনটি করতে হবে।
অধোমুখ শবাসন
অধোমুখ শবাসনকে বলা হয় ‘ডাউনওয়ার্ড-ফেসিং ডগ পোজ়’। নিয়মিত এই আসন অভ্যাসে পেশির জোর বাড়বে এবং মেদ কমবে। প্রথমে হাত ও হাঁটুতে ভর করে হামাগুড়ি দেওয়ার মতো ভঙ্গি করুন। হাতের তালু মাটিতে থাকবে, পিঠ উপরের দিকে তুলতে হবে, পায়ের পাতা মাটি স্পর্শ করে থাকবে। দেখতে লাগবে অনেকটা ইংরেজি ‘ভি’ অক্ষরের মতো। মাথা যতটা সম্ভব মাটির দিকে ঝুঁকিয়ে গভীর ভাবে শ্বাস টানতে ও ছাড়তে হবে। এই ভঙ্গিমায় ২০ সেকেন্ড থেকে আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসতে হবে।