Advertisement
E-Paper

ইনসুলিন পাম্প কী, তা ইঞ্জেকশনের চেয়ে কি বেশি কার্যকরী? কারা ব্যবহার করতে পারেন, খরচ কত?

ইনসুলিন ইঞ্জেকশন নেওয়া যথেষ্ট ঝক্কির। অথচ সময়ান্তরে ইঞ্জেকশন না নিলেই নয়। এই ঝামেলা পোহানোর ইচ্ছা যদি না থাকে, তা হলে বিকল্প উপায় হতে পারে ইনসুলিন পাম্প। শরীরের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে যন্ত্রটি সময় বুঝে নিজে থেকেই ইনসুলিনের ডোজ় দিতে থাকবে। তবে সকলের জন্য কি এটি ভাল?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৯ মে ২০২৬ ১৪:১০
What is an Insulin Pump, is it more effective than Insulin Injections

ইনসুলিন পাম্প কী, কারা ব্যবহার করতে পারেন? ফাইল চিত্র।

ইনসুলিন ইঞ্জেকশন যতটা পরিচিত, ইনসুলিন পাম্প ততটা নয়। অনেকেই জানেন না এই যন্ত্রটির বিষয়ে। ডায়াবিটিস রয়েছে এবং নিয়ম করে তিন থেকে চারবেলা কোমরে বা ঊরুতে সূচ ফোটাতে হয় যাঁদের, তাঁদের জন্য ইনসুলিন পাম্প ইঞ্জেকশনের বিকল্প হতেই পারে। ইঞ্জেকশন নিতে ভুলে গেলে সুগার বেড়ে যাবে, সে ভয় নেই। কারণ পাম্পটি শরীরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে এবং সময় বুঝে সে নিজেই ইনসুলিনের ডোজ় ঢুকিয়ে দেবে শরীরে। সুবিধা এটাই। তবে ইনসুলিন ইঞ্জেকশন না কিনে যাঁরা পাম্প কিনবেন বলে ভাবছেন, তাঁদের কয়েকটি বিষয় জেনে রাখা জরুরি। কারণ, পাম্পটির যেমন সুবিধা কিছু আছে, তেমন অসুবিধাও আছে।

ইনসুলিন পাম্প কী ভাবে কাজ করে?

সুগারের মাত্রা ঘন ঘন ওঠানামা করে যাঁদের, তাঁদের জন্য ইনসুলিন পাম্প বেশি ভাল। আমেরিকান ডায়াবিটিস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ইনসুলিন পাম্প হল একটি ছোট ব্যাটারিচালিত যন্ত্র, যা শরীরের সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা সংযুক্ত থাকবে। একটি সরু প্লাস্টিকের টিউব বা ক্যাথিটারের মাধ্যমে শরীরে অবিরাম ইনসুলিন সরবরাহ করতে থাকবে। যন্ত্রটি এমন জায়গায় লাগাতে হবে, যেখানে চর্বির স্তর রয়েছে। যেমন বাহুতে বা পেটে। ছোট্ট সুচের মাধ্যমে যন্ত্রটি সেখানে বসিয়ে দেওয়া হবে। সুচ ত্বক ভেদ করে ঢুকবে। আর টিউব ইনসুলিন পৌঁছে দেবে শরীরে। এটিই হল কার্যপদ্ধতি। একে বলা হয় ‘ইনফিউশন সেট’। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে কাজ করবে এটি, বার বার ইঞ্জেকশন নেওয়ার ঝামেলা থাকবে না। অনেক ক্ষেত্রে ইনসুলিন পাম্পের সঙ্গে গ্লুকোজ় মনিটর যুক্ত করা থাকে, যা রক্তে সুগারের ওঠানামা পর্যবেক্ষণে রাখে। খাবার খাওয়ার পরে তাই ইসুলিনের ডোজ় বেশি ঢোকে, যাতে হঠাৎ করে রক্তে শর্করা বেড়ে যেতে না পারে।

কাদের জন্য ভাল?

১) টাইপ ১ ডায়াবিটিস থাকলে ইনসুলিন পাম্প ব্যবহার করা ভাল। ঘন ঘন সুগারের মাত্রা বদলালে সে ক্ষেত্রে পাম্প ব্যবহারে উপকার হতে পারে।

২) হাইপোগ্লাইসেমিয়া থাকলে অর্থাৎ, রক্তে সুগারের মাত্রা বিপজ্জনক ভাবে কমে গেলে পাম্পটি ব্যবহারে সুফল মিলতে পারে।

৩) শিফটিং ডিউটি যাঁরা করেন, ঘন ঘন ভ্রমণ করেন বা যাঁদের খাওয়ার ও ঘুমানোর নির্দিষ্ট কোনও সময় নেই, তাঁদের জন্য পাম্প সুবিধাজনক।

সীমাবদ্ধতা কোথায়?

ইনসুলিন পাম্প ব্যবহার করার পরেও সময়ান্তরে সুগার টেস্ট করাতেই হবে। যদি কোনও কারণে পাম্পের টিউবটি ব্লক হয়ে যায়, তবে রক্তে সুগারের মাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে।

যন্ত্রটি শরীরে পরলে নিয়ম মানতে হবে। এর সেন্সর ঠিকমতো কাজ করছে কি না, তা দেখতে হবে। না হলে কোনও কাজই হবে না।

Insulin Diabetes Diabetic Care
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy