শীতকালে বাজারে গিয়ে সব্জি কেনার মজাই আলাদা। রকমারি সব্জির মাঝে কোনটা ছেড়ে কোনটা নেবেন, বোঝাই যায় না। কড়াইশুঁটি, পালংশাক, বাঁধাকপি, ফুলকপি, পেঁয়াজকলি তো আছেই, সেই সঙ্গে এই মরসুমে মুলোরও দেখা মেলে বাজারে। তবে মুলো অনেকেই খেতে পছন্দ করেন না। মুলোর গন্ধ ভাল লাগে না অনেকেরই। ফোলেট, ফাইবার, রাইবোফ্ল্যাভিন, পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং ক্যালশিয়ামে সমৃদ্ধ মুলো কিন্তু বেশ স্বাস্থ্যকর। এ ছাড়াও মুলোতে আছে ‘অ্যান্থোসায়ানিন’ নামক যৌগ, যে কারণে হৃদ্রোগ দূরে রাখতেও মুলো সহায়ক।
তবে মুলো খেলে অনেকেই গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন। মুলোতে অনেক উচ্চ মাত্রায় ফাইবার থাকে, যা হজম হতে সময় নেয়। এ ছাড়া এ্তে থাকা সালফার হজমের সময় গ্যাস বার করে। তাই কাঁচা মুলো বেশি মাত্রায় খেলে গ্যাস বেশি হয়। তাই বলে কি গ্যাস, গ্যাসের ভয় মুলো খাবেন না?
১) গ্যাসের সমস্যা এড়িয়ে চলতে খালি পেটে কখনওই মুলো খাবেন না। রাতের খাবারেও মুলো না রাখলে ভাল। এতে হজমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। সব সময় ভরপেট খাবার খাওয়ার পর মুলো খাওয়া ভাল। প্রথম পাতেই মুলো দিয়ে রান্না করা কোনও তরকারি খাবেন না। দু’ একটা পদ খাওয়ার পর খেতে পারেন। দুপুরের দিকে মুলো খেলে শরীর তা হজম করার জন্য অনেকটা সময় পায়।
২) গ্যাসের সমস্যা এড়িয়ে চলতে স্যালাডে কাঁচা মুলো খাওয়া বন্ধ করুন। মুলো খেতে হলে তাতে বিটনুন মিশিয়ে খান। মুলো খাওয়ার আগে তাতে বিটনুন মাখিয়ে রেখে দিন। তার পর দেখবেন মুলো থেকে অনেকটা জল বেরিয়েছে। সেই জল ফেলে দিয়ে ভাল করে মুলোগুলি ধুয়ে রান্না করলে আর গ্যাসের সমস্যা হবে না।
৩) মুলোর পরোটা বানানোর সময় আটার সঙ্গে জোয়ান মিশিয়ে নিতে ভুলবেন না, এতেও কিন্তু গ্যাস হওয়ার ভয় থাকবে না।