Advertisement
E-Paper

শিশুদের জন্য আয়রন সাপ্লিমেন্ট কেন জরুরি? খাওয়ানোর সঠিক নিয়ম কী, কত বছর বয়স অবধি খেতে হবে?

কেবল যে প্রত্যন্ত এলাকার শিশুরা অপুষ্টিজনিত রক্তল্পতায় ভুগছে তা নয়, শহরাঞ্চলেও এর হার যথেষ্ট। এর কারণ হল সঠিক পুষ্টির অভাব। আয়রনের অভাব হলে শিশুদের শরীরে কোন কোন সমস্যা দেখা দিতে পারে?

শেষ আপডেট: ২০ মার্চ ২০২৬ ১০:৩৪
Know why Iron suplements is necessery for infants

কোন বয়স থেকে শিশুদের আয়রন সাপ্লিমেন্ট শুরু করতে হবে? ছবি: সংগৃহীত।

পাঁচ বছরের নীচে শিশুদের আয়রন সাপ্লিমেন্ট দেওয়া অবশ্য কর্তব্য বলে মনে করছেন চিকিৎসকেরা। দেশের ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেল্‌থ সার্ভের রিপোর্ট (২০১৯-২১) বলছে, এ দেশে তিন থেকে পাঁচ বছর ও তার নীচের প্রায় ৬৭ থেকে ৭১ শতাংশ শিশু রক্তাল্পতায় ভুগছে। ২ বছরের নীচে যদি শিশুদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি হয়, তা হলে মস্তিষ্কের বড় ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। আয়রন শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য জরুরি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও কাজে আসে এই মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টটি।

চিকিৎসকেরা বলছেন, কেবল যে প্রত্যন্ত এলাকার শিশুরা অপুষ্টিজনিত রক্তল্পতায় ভুগছে তা নয়, শহরাঞ্চলেও এর হার যথেষ্ট। এর কারণ হল সঠিক পুষ্টির অভাব। বাবা-মায়েরা শিশুর স্বাস্থ্য ভাল হবে ভেবে হয়তো প্রচুর পরিমাণে খাওয়াচ্ছেন, কিন্তু ঠিক কোন কোন খাবার বাড়ন্ত বয়সের শিশুর জন্য জরুরি, তা নিয়ে সঠিক ধারণা নেই। আর এই কারণেই সাপ্লিমেন্ট খাওয়ানোর কথা বলছেন চিকিৎসকেরা।

শিশুদের কবে থেকে আয়রন সাপ্লিমেন্ট দিতে হবে?

সময়ের আগেই শিশুর জন্ম হয়ে গেলে অর্থাৎ প্রিটার্ম শিশুদের ১ মাস বয়স থেকেই আয়রন সাপ্লিমেন্ট দেওয়া হয়। আর যে শিশু নির্দিষ্ট সময়ে জন্মেছে, তাদের ৪-৬ মাস বয়স থেকে আয়রন সাপ্লিমেন্ট খাওয়াতে হবে। সাধারণত ১ বছর বয়স অবধি এই সাপ্লিমেন্ট খাওয়ানো জরুরি। তবে শিশুর ডায়েটের উপরেও নির্ভর করে যে তার ১ বছরের পরেও আয়রন সাপ্লিমেন্টের প্রয়োজন আছে কি না, শিশুরোগ চিকিৎসক শিশুকে পর্যবেক্ষণের পরেই এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

খাওয়ানোর নিয়ম?

খালি পেটে এই সাপ্লিমেন্ট খাওয়ালে শরীরে আয়রনের শোষণ বেশি ভাল হয়। দুধের সঙ্গে এই সাপ্লিমেন্ট দেওয়া চলবে না। দুধ আয়রনের শোষণে বাধা দেয়। ক্যালশিয়াম সাপ্লিমেন্ট বা কোনও ভিটামিনের সঙ্গে আয়রন সাপ্লিমেন্ট দেওয়া উচিত নয়। শিশুর জ্বর, সর্দিকাশি বা ডায়েরিয়া হলে আয়রন সাপ্লিমেন্ট বন্ধ রাখতে হবে।

খাওয়াদাওয়ায় নজর

আমিষভোজী হলে পাঁঠা বা মুরগির মাংসের লিভার, ডিমের হলুদ অংশটি অবশ্যই শিশুর ডায়েটে দিতে পারবেন। আর শিশু যদি আমিষ না খায়, সে ক্ষেত্রে ওর ডায়েটে পালংশাক, লালশাক, মুসুর ডাল, বিউলির ডাল, সয়াবিন, তিল, কুমড়োর বীজ, খেজুর, কাঠবাদামের মতো খাবার রাখা যেতে পারে। বাবা-মায়েরা খেয়াল রাখবেন, শুধু শরীর যাতে আয়রন গ্রহণ করতে পারে সে জন্য লেবু, আমলকি বা কমলালেবুর মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল বা সব্জিও রাখতে হবে রোজের পাতে।


child care Tips Health Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy