Advertisement
E-Paper

তিন বেলা ভরপেট খাবার নয়, ২ ঘণ্টা অন্তর স্বল্পাহারেই কমবে ওজন, বাড়বে না সুগার, জানাল আইসিএমআর

পরিমিত খাবার ও সময় ধরে খাওয়ার অভ্যাস— এতেই কমবে ওজন। সুগারের ভয়ও থাকবে না। শরীর ভাল রাখতে কঠোর ডায়েট নয়, বরং প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর খাওয়ার পরামর্শই দিল আইসিএমআর।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৬ মে ২০২৬ ১৩:০৭
The health benefits of Mini-Meals, why eating every 2 hours is good for health

কেন ২ ঘণ্টা অন্তর খাবেন, কী কী খেলে ওজন কমবে দ্রুত? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

সকাল সাড়ে সাতটায় ঘুম থেকে উঠলেও বেলা এগারোটার আগে প্রাতরাশ হয় না অনেকের। দুপুরের খাবার খেতে সেই বেলা ৩টে। ঘড়ির কাঁটা ১১টা না ছুঁলে রাতের খাবার খাওয়ার ইচ্ছাই হয় না। এমন রুটিন মেনে চলেন অধিকংশই। যুক্তি, সময় হয় না অথবা খিদে পায় না। কিন্তু এর পরিণতি কী হচ্ছে, তা ভেবে দেখেছেন কি? তিন বেলা ভরপেট খাবার ও দেরি করে খাওয়ার অভ্যাসের কারণেই বাড়ছে মেদ, কম বয়স থেকেই হচ্ছে সুগার। বাড়ছে রক্তচাপও। ইদানীংকালে সুগার, প্রেশার বা থাইরয়েডের ওষুধ খান না, এমন মানুষজন কমই দেখা যায়। এর সবচেয়ে বড় কারণই হল খাদ্যাভ্যাস। এর থেকে রেহাই পেতে হলে পেট ভরা ভোজ নয়, বরং প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর হালকা খাবার খাওয়ারই পরামর্শ দিয়েছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)।

কেন খাবেন ২ ঘণ্টা অন্তর?

প্রতি ২ থেকে ৩ ঘণ্টা অন্তর অল্প অল্প করে খাওয়ার অভ্যাসকে বলা হয় ‘ফ্রিকোয়েন্ট স্ন্যাকিং’। পশ্চিমি দেশগুলিতে এর চল বেশি। এখন এ দেশেও এমন ধারা শুরু হয়েছে। যদিও এখানে এমন ভাবনা নতুন নয়। বরং বহু প্রাচীনই বলা যায়। স্বল্পাহার বা পরিমিত আহারই নীরোগ থাকার সহজ উপায়, এমনই বলেন চিকিৎসকেরা। এর জন্য এক বেলা খাওয়া বা উপোস করার প্রয়োজন নেই। বরং প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর অল্প অল্প করে খাবার খেতে হবে। এর লাভ অনেক। প্রথমত, বিপাকক্রিয়া ঠিকমতো হবে। পাকস্থলীতে বেশি চাপ পড়বে না। খাবার হজম হবে দ্রুত।

দ্বিতীয়ত, ইনসুলিন হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকবে। অনেকখানি খাবার একসঙ্গে পাকস্থলীতে ঢুকলে তার জারণ প্রক্রিয়ায় অনেকটা শক্তি বেরিয়ে যায়। বেশি পরিমাণে ইনসুলিনের ক্ষরণ হতে থাকে বা ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়তে থাকে।

বারে বারে খেলে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রক হরমোন ঘ্রেলিনের ক্ষরণ ঠিকমতো হবে। এতে শরীরও সঠিক পুষ্টি পাবে এবং বিঞ্জ ইটিংয়ের প্রবণতা কমবে।

কী কী খাওয়া ভাল?

প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর খেলে চিপ্‌স, বিস্কুট বা প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া চলবে না। বদলে নানা রকম বাদাম, চিয়া বীজ, কুমড়োর বীজ খাওয়া যেতে পারে।

অঙ্কুরিত ছোলা বা মুগ দিয়ে তৈরি স্যালাড, সঙ্গে টক দই খেতে পারেন। এতে শরীর একই সঙ্গে ফাইবার ও প্রোবায়োটিক পাবে।

মরসুমি ফল ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেতে পারেন। সঙ্গে নানা রকম সব্জির স্যালাড বা স্যুপ খেলে ভাল।

দিনের একটা সময়ে ডিটক্স পানীয় বা ফলের স্মুদি খেতে হবে। এতে ফলের ফাইবার ও উদ্ভিজ্জ প্রোটিন যাবে শরীরে।

ডালিয়া, উপমা, মিলেট খিচুড়ি, ওট্‌স জাতীয় খাবার খেতে পারেন। সকালের জলখাবারে যাতে শস্য ও প্রোটিন জাতীয় খাবার থাকে, সে দিকেও নজর দিতে হবে।

Healthy Snacks Weight Loss Healthy Eating
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy