বয়স চল্লিশের কোঠা পেরোলেও শরীর-মনে থাকবে তারুণ্য। মধ্যবয়সে সুস্থ থাকতে কিছু নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন। রোজের খাওয়াদাওয়ায় নজর দেওয়ার পাশাপাশি ভরসা রাখা প্রয়োজন কিছু যোগাসনের উপরে। কিন্তু আগে থেকে অভ্যাস না থাকলে আচমকা হরেক রকমের আসন অনুশীলন করা সহজ নয়। তাই এমন কিছু যোগাসন করা জরুরি, যেগুলির পদ্ধতি সহজ এবং কার্যকরী। যে কোনও বয়সেই করা সম্ভব।
তারুণ্য ধরে রাখার ব্যায়াম
পদহস্তাসন
দুই পায়ের মাঝে দূরত্বে রেখে সোজা হয়ে দাঁড়ান। হাত থাকুক পাশে। স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিন। শরীর টান টান করে ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে নিতে কানের পাশ দিয়ে দুই হাত সোজা করে মাথার উপরে তুলুন। এ বার শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে সামনের দিকে ঝুঁকতে থাকুন। হাঁটু যেন বেঁকে না যায় খেয়াল রাখুন। নিচু হয়ে হাত দিয়ে পায়ের গোড়ালি ধরুন। সেটা না পারলে আরামদায়ক ভাবে যতটুকু ঝুকতে পারবেন ততটুকুও করুন। বেশি নিচু হওয়ার দরকার নেই। এই ভঙ্গিতে কয়েক সেকেন্ড থাকুন।
আরও পড়ুন:
শলভাসন
উপুড় হয়ে ম্যাটের উপর শুয়ে পা দু’টি একসঙ্গে টান টান করে রাখুন। দুই হাত রাখুন দুই ঊরুর নীচে। এটিই আসন শুরুর ভঙ্গি। ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে নিতে বাঁ পা উপরের দিকে তুলুন। হাঁটু যেন ভাঁজ হয়ে না যায়, সে দিকে খেয়াল রাখবেন। ডান পা একেবারে টান টান থাকবে। এই অবস্থানে থাকুন ৫ সেকেন্ড। এর পর শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে পা নীচে নামান। একই পদ্ধতিতে শ্বাস নিতে নিতে দুই পা উপরের দিকে তুলুন। ৫ সেকেন্ড এই অবস্থানে থেকে শুরুর ভঙ্গিতে ফিরে আসুন। এই ভাবে তিন সেট অভ্যাস করতে হবে।
সেতুবন্ধাসন বা ব্রিজ় পোজ়
ম্যাটের উপর টানটান হয়ে শুয়ে দুই হাঁটু ভাজ করতে হবে। এর পর পিঠ ও কোমরে ভর দিয়ে ধীরে ধীরে কোমর উপরে তুলতে হবে। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে ওই ভঙ্গিতে ২০ সেকেন্ড থেকে আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসতে হবে। মন ভাল রাখার পাশাপাশি মেদ কমাতে, পিঠের ব্যথা নিরাময়েও উপযোগী এই আসন।