ওজন কমানোর ডায়েটে ওট্স, কিনোয়া এগুলি এখন বাঙালির হেঁশেলেও ঢুকে পড়েছে। সকালে পরোটা বা লুচির বদলে, অনেকেই ওট্স খাচ্ছেন। দুধ দিয়ে ওট্সের পরিজ় বা সারা রাত দুধ ও নানা রকম ফল দিয়ে ভিজিয়ে রাখা ওট্সই বেশি খাওয়া হয় প্রাতরাশে। কিন্তু যাঁদের দুধে অ্যালার্জি বা দুধ খেলে অম্বল হয়, তাঁরা কী করবেন? সকালের জলখাবারে খাওয়া যাবে এমন সুস্বাদু কিছু পদ ওট্স দিয়েই বানিয়ে নিতে পারেন। রইল কিছু রেসিপি।
ওট্স ও কলার প্যানকেক
এক কাপ ওট্স, একটি পাকা কলা, এক কাপ কাঠবাদামের দুধ বা সয় মিল্ক, সামান্য দারচিনি ও এলাচের গুঁড়ো এবং একটি ডিম নিতে হবে। প্রথমে কলাটি ভাল করে চটকে নিন। এ বার ওট্স গুঁড়িয়ে নিয়ে তার সঙ্গে ডিম এবং দারচিনি, এলাচের গুঁড়ো মিশিয়ে একটি ঘন ব্যাটার তৈরি করুন। প্রয়োজন মতো জল দিন। একটি নন-স্টিক প্যানে সামান্য অলিভ অয়েল বা ঘি ব্রাশ করে প্যানকেকের আকারে ব্যাটারটি দিয়ে দুই পিঠ লালচে করে ভেজে নিন। উপরে মধু বা ফল ছড়িয়ে খেতে পারেন।
আরও পড়ুন:
ওট্সের উপমা
১ কাপ ওট্স (রোলড বা ইনস্ট্যান্ট), কুচনো গাজর, বিন, মটরশুঁটি, পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা, কারিপাতা নিতে হবে। কড়াইতে সামান্য তেল দিয়ে গোটা সর্ষে ও কারিপাতা ফোড়ন দিন। এ বার পেঁয়াজ ও সব্জিগুলি দিয়ে হালকা করে ভাজুন। সব্জি সেদ্ধ হয়ে এলে ওট্স দিয়ে সামান্য নাড়াচাড়া করুন। দেড় কাপ জল ও নুন দিয়ে ঢাকা দিন। ওট্স জল শুষে নিয়ে ঝরঝরে হয়ে এলে নামানোর আগে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিন।
ওট্সের পুডিং
আধ কাপ ওট্স, ১ চামচ চিয়া বীজ, ১ কাপ জল বা নারকেলের জল, কুচনো আপেল এবং সামান্য বাদাম নিতে হবে। কাঠবাদাম ছোট ছোট টুকরো করে নিতে পারলে ভাল হয়। একটি কাচের জারে ওট্স, চিয়া বীজ জলে ভিজিয়ে সারা রাত রেখে দিন। সকালে দেখবেন ওট্স জল শুষে নিয়ে একদম নরম হয়ে গেছে। এ বার সয় মিল্ক বা কাঠবাদামের দুধে মিশিয়ে ওট্স ও চিয়া বীজের মিশ্রণ ভাল করে ফোটান। তাতে সামান্য দারচিনির গুঁড়ো ও ভ্যানিলা এসেন্স মেশান। ঘন হয়ে এলে উপরে মধু, ফলের টুকরো ও কাঠবাদাম কুচি ছড়িয়ে দিন।