Advertisement
E-Paper

চিনির থেকে কম ক্ষতিকর ভেবে রোজ মধু খাচ্ছেন? শুধু ডায়াবেটিক নয়, আর কাদের সমস্যা হতে পারে?

খাঁটি মধুতে যথেষ্ট পরিমাণে থাকে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, বেশ কিছু ভিটামিন ও খনিজ— যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মধু হার্টের স্বাস্থ্যও ভাল রাখে। শরীরের যে কোনও প্রদাহ কমাতেও মধুর জুড়ি মেলা ভার। তবে রোজের ডায়েটে মধু রাখার আগে জেনে নিন কিছু জরুরি বিষয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:১৮
পেটের সমস্যা থাকলে কি মধু খাওয়া উপকারী?

পেটের সমস্যা থাকলে কি মধু খাওয়া উপকারী? ছবি: সংগৃহীত।

পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ মধুর উপকারিতার শেষ নেই। অনেকেই ভাবেন, মধু বুঝি শীতকালেই খাওয়া যায়। তা নয়। মধু যে কোনও মরসুমের জন্যই স্বাস্থ্যকর। কেউ সর্দি-কাশি কমানোর জন্য মধু খান, আবার কেউ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হালকা গরম জলে মধু মিশিয়ে খান। খাঁটি মধুতে যথেষ্ট পরিমাণে থাকে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, বেশ কিছু ভিটামিন ও খনিজ— যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মধু হার্টের স্বাস্থ্যও ভাল রাখে। শরীরের যে কোনও প্রদাহ কমাতেও মধুর জুড়ি মেলা ভার। তবে রোজের ডায়েটে মধু রাখার আগে জেনে নিন কিছু জরুরি বিষয়।

১) অনেকেই ভাবেন, ওজন ঝরানোর ক্ষেত্রে চিনির বদলে মধু একটি ভাল বিকল্প। ১ টেবিল চামচ মধুতে ৬৫ ক্যালরি থাকে আর সমপরিমাণ চিনিতে থাকে ৫০ ক্যালরি। দু’টিই রক্তে একই ভাবে শর্করার পরিমাণ এক লাফে অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। তবে চিনির তুলনায় মধুর মিষ্টিভাব অনেকটাই বেশি, তাই মধু তুলনায় কম লাগে। তাই যে রান্নায় দু’চামচ চিনি দিতে লাগে, সেই রান্নায় ১ চামচ মধুতেই কাজ হয়ে যাবে।

২) চিনির কোনও উপকারিতা নেই। কিন্তু মধুর কাজ কেবল খাবারে মিষ্টিভাব যোগ করা নয়। মধুতে অনেক বেশি মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে। এই উপাদান শরীরে প্রদাহের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে।

Advertisement

৩) পেটের জন্যও মধু খাওয়া উপকারী। তবে এতে গ্লুকোজ়ের থেকে বেশি মাত্রায় ফ্রুকটোজ় থাকে। তবে যাঁরা ইরিটেব্‌ল বাওয়েল সিনড্রোমে ভুগছেন, তাঁদের কিন্তু মধু খেলে সমস্যা হতে পারে। পেটভার, গ্যাস, ডায়েরিয়ার মতো সমস্যা হতে পারে।

৪) অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি এবং অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান থাকায় মধু ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। খাদ্যনালিতে সংক্রমণ হলে তার জন্যও মধু উপকারী। অন্ত্রে ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়ার প্রভাব কমায় মধু। তবে মধু খেতে হবে পরিমিত পরিমাণে। এক বা দু’চামচের বেশি নয়। আর সদ্যোজাত শিশুকে মধু খাওয়ানো ঠিক নয়। এতে তাদের অন্ত্রের সমস্যা হতে পারে।

৫) এখন অনেকেই জৈব মধু খান। তবে দেখে নেওয়া দরকার, সেটি পরিশোধিত মধু কি না। শুধু কেনা নয়, মধু ঠিকমতো সংরক্ষণ করাও জরুরি। মধুর শিশি কখনওই ফ্রিজে রাখবেন না। ঘরের সাধারণ তাপমাত্রায় রাখবেন। না হলে মধু নষ্ট হয়ে যাবে।

Honey
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy