বড়দিন উপলক্ষে শহর জুড়ে যেন পার্টির মেজাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। আর পার্টি মনেই প্রচুর সাজগোজ। পার্টির সাজ বলতেই চোখে একটু ভারী মেকআপ। চোখের সাজসজ্জার জন্য কাজল, আইশ্যাডো, মাস্কারা, আইলাইনার— আরও কত কী-ই না ব্যবহার করা হয়! এখন অবশ্য চোখে নানা রঙের কনট্যাক্ট লেন্স পরার চল উঠেছে। তবে একটানা অনেক ক্ষণ কনট্যাক্ট লেন্স পরে থাকলে চোখের নানা সমস্যা দেখা যায়। তাই লেন্স পরার সময় নিতে হবে বাড়তি সতর্কতা। সস্তার রঙিন লেন্সও এড়িয়ে চলুন। কারণ এতে দৃষ্টিশক্তির মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। কনট্যাক্ট লেন্স চোখের ভিতর অক্সিজেনে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। তাই দীর্ঘ ক্ষণ লেন্স না পরাই শ্রেয়।
লেন্স পরার সময়ে কী কী সাবধানতা না নিলেই নয়?
১) লেন্স পরার আগে ও পরে হাত ভাল করে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিতে ভুলবেন না। তোয়ালেতে হাত মুছবেন না। বরং কোনও মসলিন কাপড়ে বা সুতির রুমালে হাত মুছে তবেই লেন্সে হাত দেবেন।
২) ভুলেও লেন্স পরে ঘুমোতে যাবেন না। লেন্স পরে ঘুমিয়ে পড়লে চোখে সংক্রমণ হতে পারে।
৩) মেকআপ করার আগে ভুলেও লেন্স পরবেন না। লেন্স পরে মেকআপ করলে অনেক সময়ে তাতে কাজল বা মাস্কারা লেগে যেতে পারে। এমন ঘটলে চোখে প্রাথমিক জ্বালাভাব তো হবেই, এমনকি সংক্রমণও হতে পারে।
৪) তিন মাস অন্তর লেন্স রাখার পাত্রটি বদলাতে হবে। কনট্যাক্ট লেন্স সব সময়ে স্টেরাইল সলিউশনে ভিজিয়ে সঠিক লেন্স কেসে রাখবেন।
৫) কনট্যাক্ট লেন্স পরে ভুলেও সাঁতার কাটবেন না। লেন্স পরে মুখে জলের ঝাপটা দেবেন না। স্নান কিংবা জলের ঝাপটায় চোখ-মুখ ধোয়ার আগে অবশ্যই লেন্স খুলে নেবেন।
৬) মেয়াদ পেরিয়ে গেলে সেই লেন্স যত দামিই হোক না কেন, ভুলেও ব্যবহার করবেন না। এক সলিউশন এক মাসের বেশি ব্যবহার করবেন না।
৭) দিনে সাত থেকে আট ঘণ্টার বেশি কনট্যাক্ট লেন্স পরা ঠিক নয়। একান্তই এর চেয়ে বেশি সময় কখনও লেন্স ব্যবহার করতে হলে আধ ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা অন্তত চোখকে বিশ্রাম দিয়ে তার পর পরুন। মাঝে চোখে ড্রপ দিন।
ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণ থেকে সাবধান
কনট্যাক্ট লেন্সের কারণে সাধারণত সিউডোমনাস নামক এক ধরনের ব্যাক্টিরিয়া দ্বারা চোখ আক্রান্ত হয়। ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণ কিন্তু গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে। পুরোপুরি দৃষ্টিশক্তিও হারাতে পারেন রোগী। সে কারণেই সফ্ট কনট্যাক্ট লেন্সের ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা নিজে থেকে রোগীকে কখনও তা ব্যবহারের পরামর্শ দেন না। লেন্স ব্যবহার যাঁরা করেন, চোখে তাঁদের সামান্য সমস্যা হলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সময় সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে ব্যবহার করা লেন্স ও সলিউশনও। চিকিৎসকেরা রোগীর চক্ষু পরীক্ষার পাশাপাশি সেগুলিও পরীক্ষা করে দেখেন। এতে ঠিক কোন ধরনের ব্যাক্টেরিয়া থেকে চোখে সংক্রমণ হয়েছে, তা নির্ধারণ করা সহজ হয়। কোন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধে কাজ হবে, তা-ও বোঝা যায়।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- বড়দিনের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে দিয়েছেন? এ বারের পরবে অতিথিদের জন্য মজাদার খাবার বানিয়ে নিন। মেনুতে থাক আস্ত ক্রিসমাস ট্রি। কী ভাবে বানাবেন শিখে নিন।
- বড়দিনের সান্ধ্য পার্টিতে বানাতে পারেন সুস্বাদু কিছু স্ন্যাক্স। কম তেলে বানানো যায় এমন কিছু স্ন্যাক্সের রেসিপি জেনে নিন।
- বড়দিনের পার্টির মূল আকর্ষণ হবে খাওয়ার টেবিলের সাজ, ও বাড়িতে আলোর সাজসজ্জা। কী ভাবে সাজালে অতিথিরা মুগ্ধ হবেন?
-
পরিবারের সঙ্গে আলিয়া, একাকী তমন্না, সান্টা হলেন জ্যাকলিন! বলি-তারকারা কী ভাবে উদ্যাপন করলেন বড়দিন?
-
বড়দিনের সন্ধ্যা থেকেই শুরু হবে খানাপিনা, পেট ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করার আগেই সন্ধির উপায় জেনে নিন
-
সুদূর আটলান্টায় সংসার তনুশ্রীর, স্বামী সুজিতের সঙ্গে প্রথম বড়দিনের পরিকল্পনা কী?
-
কারও কাছে দেবই সান্টাক্লজ়, কেউ চান অতীতে ডুব দিতে! টলিপাড়ার জেন-জ়ি তারকাদের বড়দিন কেমন?
-
বড়দিনে বাড়িতে পার্টির আয়োজন? ১০ মিনিটেই বানানো যায়, রইল এমন ৫ স্ন্যাক্স রেসিপির সন্ধান