Advertisement
E-Paper
WBState_Assembly_Elections_Lead0_04-05-26

হৃৎস্পন্দন ৬০-এর নীচে, কখন তা চিন্তার? কাদের বেশি সতর্ক থাকতে হবে?

হৃৎস্পন্দন কি অনিয়মিত? হার্টের সঙ্কোচন-প্রসারণের সময় ও ছন্দের হেরফের স্বাভাবিক ঘটনা। তবে তার একটা মাত্রা আছে, সেটা কম-বেশি হলে চিকিৎসার প্রয়োজন।

শেষ আপডেট: ০৪ মে ২০২৬ ১১:৩৭
Understanding when a slower heart rate is normal and when it may indicate a problem

ব্র্যাডিকার্ডিয়া কী, কাদের বেশি সতর্ক থাকতে হবে? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিক হারের বেশি হলে তা যেমন চিন্তার, তেমনই কম হলেও আশঙ্কর। সাধারণত একজন মানুষের হৃৎস্পন্দন মিনিটে ৬০-১০০-র মধ্যে থাকে এবং হৃৎস্পন্দনের একটা নির্দিষ্ট ছন্দ থাকে। কিন্তু হার্টের সঙ্কোচন-প্রসারণের সময়ে ছন্দের হেরফের হয়েই থাকে। তা স্বাভাবিক ঘটনা। তবে তার একটা মাত্রা আছে, সেটা কম-বেশি হলে চিকিৎসার প্রয়োজন। হৃৎস্পন্দনের হার যদি ৬০ বা তার নীচে নেমে যায়, তখন সেই অবস্থাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় বলে ব্র্যাডিকার্ডিয়া। কখন তা চিন্তার?

ব্র্যাডিয়াকার্ডিয়া কী?

অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন বা অ্যারিদমিয়া হার্টের উপরের প্রকোষ্ঠ অ্যাট্রিয়া বা নীচের প্রকোষ্ঠ ভেনট্রিকলসে দেখা দিতে পারে। অ্যারিদমিয়ার দু’টি ভাগ রয়েছে— ব্র্যাডিঅ্যারিদমিয়া এবং ট্যাকিঅ্যারিদমিয়া। হৃৎস্পন্দনের হার কমে যাওয়াকে বলে ব্র্যাডিঅ্যারিদমিয়া বা ব্র্যাডিকার্ডিয়া। এ ক্ষেত্রে হৃৎস্পন্দন ৬০-এর নীচে চলে যায়। এটি যে সবসময়ে উদ্বেগের তা নয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে তা চিন্তার কারণ হতে পারে। সাধারণত হার্টে ব্লকেজ থাকলে তা থেকেও ব্র্যাডিঅ্যারিদমিয়া হতে পারে।

কারও জন্ম থেকেই এই সমস্যা থাকতে পারে। কিন্তু প্রথম দিকে ততটা বোঝা যায় না। হৃৎস্পন্দের হর বেশ কমে গেলে শ্বাসকষ্ট, অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা যায়। তখন বুঝতে হবে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি।

কাদের সতর্ক হতে হবে?

ক্রীড়াবিদ বা যাঁরা জিমে গিয়ে ভারী ওজন তুলে ব্যায়াম করেন, তাঁদের বেশি সতর্ক থাকতে হবে। যদি বিশ্রামের সময়ে দেখা যায় হৃৎস্পন্দনের হার ৫০ বা তার নীচে নেমে গিয়েছে, তখন সতর্ক হতে হবে।

ষাটের উপর বয়স হলে হৃৎস্পন্দনের হার এমনিতেও কমে যায়, তবে তা ৫০-এর নীচে নামলে সতর্ক হতে হবে।

উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের সমস্যার জন্য যাঁরা বিটা-ব্লকার জাতীয় ওষুধ খান, তাঁদের সতর্ক থাকতে হবে।

হাইপোথাইরয়েডিজম থাকলেও সতর্ক থাকতে হবে। সে ক্ষেত্রে সময়ান্তরে হার্টের পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া জরুরি।

হার্টের ভিতরে ইলেকট্রিক্যাল ইমপালস গেলে তবে হার্ট সঙ্কুচিত হয়। এই ইলেকট্রিক্যাল ইমপালস যেখানে তৈরি হয়, সেই জায়গার যদি গন্ডগোল থাকে তা হলে হৃৎস্পন্দনের হার কমে যেতে পারে এবং হাঁপিয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ওষুধে কাজ না হলে তখন পেসমেকার বসাতে হতে পারে। রক্তচাপজনিত সমস্যা, ডায়াবিটিস বা অতীতে হার্ট অ্যাটাক হয়েছে এমন ব্যক্তিদের সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

Heartbeat Heart Attack Heart Disease
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy