ওজন কমবে। সঙ্গে হাঁটুর ব্যথাও সেরে যাবে। ওষুধ নয়, যোগাসনেই তা সম্ভব। মেদ বৃদ্ধির কারণেই গাঁটে গাঁটে ব্যথা বেশি ভোগায়। কম বয়সে আর্থ্রাইটিসের এক অন্যতম কারণই হল স্থূলত্ব। তবে ওজন কমানো সহজ নয়। ডায়েট, ব্যায়াম দীর্ঘ সময় ধরে করলে তবেই সুফল মেলে। ওজন যদিও বা কমে, ভুঁড়ি সহজে কমতে চায় না। তাই এমন এক আসন অভ্যাস করতে হবে যাতে পেটের মেদও কমবে, আবার হাঁটুর যন্ত্রণাও সারবে।
প্রসারিত পদোত্তোনাসন যোগাসনের এমন এক পদ্ধতি, যাতে পেটের মেদ কমবে, পায়ের পেশির স্ট্রেচিংও হবে। নিতম্বের মেদ নিয়ে যাঁরা নাজেহাল, তাঁরা এই আসন অভ্যাসে সুফল পাবেন।
কী ভাবে করবেন?
১) প্রথমে ম্যাটের উপর সোজা হয়ে দাঁড়ান। পিঠ টানটান রাখতে হবে।
২) দুই পায়ের মধ্যে অনেকটা দূরত্ব রাখতে হবে। দু’হাত থাকবে কোমরের পিছনে।
৩) এ বার শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে কোমর থেকে দেহের উপরিভাগ সামনের দিকে ঝোঁকাতে হবে।
আরও পড়ুন:
৪) দুই হাতের তালু মাটি স্পর্শ করে থাকবে।
৫) এ বার পিঠ যতটা সম্ভব উপরে তুলতে হবে। হাঁটু ভাঙলে চলবে না। দুই হাতও যেন মাটি স্পর্শ করে থাকে। শুরুতে আসনটি করতে সমস্যা হতে পারে। তবে ধীরে ধীরে অভ্যাস হয়ে যাবে।
৬) এ বার মাথা ঠেকিয়ে দিন মাটিতে। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখুন। এই ভঙ্গিতে ৩০ সেকেন্ড থাকার চেষ্টা করতে হবে।
উপকারিতা:
পেটের মেদ কমবে। নিয়মিত অভ্যাসে ভুঁড়ি কমে যাবে।
ঊরু, নিতম্ব ও কাফ মাসলের স্ট্রেচিং হবে।
মানসিক চাপ, উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে এই আসন।
কাঁধ ও পিঠের পেশি মজবুত হবে।
সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভাল হবে।
কারা করবেন না?
মেরুদণ্ডে অস্ত্রোপচার হলে আসনটি করা যাবে না।
স্লিপ ডিস্কের সমস্যা থাকলে আসনটি করবেন না।
অন্তঃসত্ত্বারা প্রশিক্ষকের পরামর্শ ছাড়া আসনটি অভ্যাস করতে যাবেন না।