অল্পেই ক্লান্তি, আচমকাই বাড়ছে ওজন। অকালে ঝরছে চুল, শুকনো খসখসে ত্বক। সেই সঙ্গেই বুক ধড়ফড়, অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে যাচ্ছে হৃৎস্পন্দন। ছোটখাটো শারীরিক সমস্যাগুলি এড়িয়ে যাওয়া হয় বেশির ভাগ সময়েই। অথচ এই প্রতিটি উপসর্গের জন্য দায়ী হতে পারে থাইরয়েড, যার চিকিৎসা সঠিক সময়ে না হলে বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যেতে পারে। থাইরয়েডে যে কেবল ওজন বাড়ে বা কমে, তা নয়, মানসিক ক্ষেত্রেও নানা বদল আসে। মেজাজ বদলাতে পারে ঘন ঘন, ক্লান্তি বাড়ে, কোনও কারণ ছাড়াই উদ্বেগ বেড়ে যেতে পারে। এ সব সমস্যার সমাধান হতে পারে শশঙ্গাসন অভ্যাসে।
কী ভাবে করবেন?
১) যোগা ম্যাটের উপরে বজ্রাসনে বসুন। পায়ের পাতা যেন আরামদায়ক অবস্থায় থাকে।
২) গভীর ভাবে শ্বাস নিতে ও ছাড়তে হবে। পিঠ টানটান থাকবে। ঝুঁকে বসলে হবে না। দু’হাত রাখুন দুই হাঁটুর উপর।
৩) শ্বাস নিতে নিতে দুই হাত কানের পাশ দিয়ে সোজা উপরের দিকে তুলুন, হাতের তালু থাকবে সামনের দিকে।
৪) শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে শরীর ঝুঁকিয়ে মাটিতে হাঁটুর সামনে মাথা ঠেকান।
৫) প্রথমে দু’হাত সামনে ছড়িয়ে প্রণামের ভঙ্গিতে রাখুন। পরে হাত নিয়ে যান গোড়ালির পাশে।
৬) এই ভঙ্গিতে ২০-৩০ সেকেন্ড থেকে আগের অবস্থানে ফিরে যান।
আরও পড়ুন:
উপকারিতা:
নিয়মিত শশঙ্গাসন অভ্যাস করলে থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
পিঠ, কোমরের ব্যথা কমবে।
সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভাল হবে।
পেটের মেদ কমবে, নিয়মিত অভ্যাসে ওজনও কমবে।
ঋতুস্রাবকালীন সময়ে পেটের যন্ত্রণা হবে না।
কারা করবেন না?
হার্টের রোগ থাকলে আসনটি করা যাবে না।
হার্নিয়ার অস্ত্রোপচার হলে আসনটি না করাই ভাল।
হাঁটু প্রতিস্থাপন বা হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হলে আসনটি করা যাবে না।